https://www.emjanews.com/

9102

sylhet

প্রকাশিত

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৪৮

আপডেট

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৮:৩২

সিলেট

চবি ও বাকৃবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শাবিপ্রবিতে মশালমিছিল

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৪৮

ছবি: সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় লোকজন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) মশাল মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে সমবেত হয়ে ‘বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা মশাল মিছিল নিয়ে প্রধান ফটকে যান। সেখানে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় লোকজন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার বিচার দাবি করেন তাঁরা।

মশাল মিছিলে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন,  ‘আমাদের ভাইয়ের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’; ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট ‘বিচার চাই, বিচার দে-নইলে গদি ছাইড়া দে’; ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’; অ্যাকশন’; ‘সাস্টিয়ান সাস্টিয়ান, এক হও লড়াই করো।’

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘শনিবার রাত একটা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইবোনদের ওপর হামলা হয়েছে। আমরা সকালেও দেখি হামলা চলছে। ১২ ঘণ্টা পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এতে অনেক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। এর দায় সরকারকে নিতে হবে।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবার একত্র হবেন। সব ষড়যন্ত্র রুখে দেব। সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, নয়তো শিক্ষার্থীরা ব্যবস্থা নেবেন।’

‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে’ বলে উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, ‘যদি সামনে এই সরকারকে ভেঙে বিপ্লবী বা জাতীয় সরকার গঠন করতে হয়, আমরা তা-ই করব। চট্টগ্রামে ও বাকৃবিতে যে হামলা হয়েছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাতে চাই না, আমরা অ্যাকশনে যেতে চাই। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে আমরা যোগ্য লোকের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করব।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীদের সমন্বিত ডিগ্রির দাবিতে আন্দোলনের সময় বহিরাগত ব্যক্তিরা রবিবার রাত পৌনে আটটার দিকে হামলা চালান। এর আগের দিন শনিবার গভীর রাত থেকে দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনা কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দুই দফা সংঘর্ষে সহ-উপাচার্যসহ অন্তত ১৮০ জন শিক্ষার্থী আহত হন।