শিরোনাম
সিলেটে পেট্রোল পাম্পের পাশে রাতের আঁধারে কী হচ্ছিল, সীমা ও কাওছার ধরা সিলেট সীমান্তে জব্দ অর্ধকোটি টাকার চো/রাই পণ্য যুক্তরাজ্যের থারক কাউন্সিল নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী সিলেটের সঞ্জিত দাস সিলেটে এখন আগের দ্বিগুণ বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেলও! সুনামগঞ্জে আগাম বন্যার শঙ্কা, পাকা ধান দ্রুত কাটার আহ্বান পাউবোর সাংবাদিকতায় ৫০ নম্বরের পরীক্ষা: নতুনদের খাতা, পুরোনোদের ছাড়? সিলেটে নতুন বিভাগীয় কমিশনার নিয়োগ পুলিশে রদবদল: সিলেট মহানগর পুলিশে একাধিক এসপি বদলি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে একযোগে কাজ করতে চায় নেপাল সিসিকে নিয়োগের নামে প্রতারণা: সতর্ক থাকার আহ্বান প্রশাসকের

https://www.emjanews.com/

9227

national

প্রকাশিত

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:২২

আপডেট

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০০:০৭

জাতীয়

জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলায় সাবেক আইজিপি মামুনের জেরা শুরু

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:২২

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের জেরা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১:৩৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তার জেরা শুরু হয়। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন চৌধুরী মামুনের জেরা করছেন।

এর আগে, ২ সেপ্টেম্বর রাজসাক্ষী হিসেবে চৌধুরী মামুন জবানবন্দি দিয়েছিলেন এবং আংশিকভাবে জেরা হয়। ৩ সেপ্টেম্বর স্টেট ডিফেন্সের আবেদনের পর বাকি জেরার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

জবানবন্দিতে চৌধুরী মামুন আওয়ামী লীগ শাসনামলে পুলিশের রাজনৈতিক প্রভাব, গ্রুপিং এবং শেখ হাসিনা ও কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের দায় স্বীকার করেছেন। তিনি একই সঙ্গে ক্ষমা চেয়েছেন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় এ পর্যন্ত ৩৬ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। সাক্ষীরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল ও অন্যান্য অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

মামলায় ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মধ্যে দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা তথ্যসূত্র, চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি, এবং দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার শহীদ তালিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষী রয়েছেন। ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।