শিরোনাম
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল মালয়েশিয়ায় লরি দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নি হ ত, একজন গুরুতর আ হ ত শিশু নিবাসগুলো সরকারি সম্পদ তৈরির কারখানা: জেলা প্রশাসক জকিগঞ্জে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃ ত্যু ‘এখন সকাল-বিকাল দল থেকে ফোন আসে মন্ত্রীত্ব দিবে, আসনটি ছেড়ে দেবার জন্য’-রুমিন ফারহানা  চলতি মাসেই আংশিক নতুন পে-স্কেল চালুর আভাস চট্টগ্রাম শহরে ৩৩০ ‘দু/ষ্কৃতকারীর’ অবস্থান ও প্রবেশ নি ষি দ্ধ টাঙ্গুয়ার হাওরসহ জলাভূমির প্রকৃতি রক্ষায় নতুন পদক্ষেপ নিল সরকার ইরানের প্রশংসায় ট্রাম্প ফাঁকা ৪৭ আসন নিয়ে জামায়াতের জোটে নয়া আলোচনার সূচনা

https://www.emjanews.com/

12568

sylhet

প্রকাশিত

২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:০৪

আপডেট

২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:০৬

সিলেট

সিলেটের বাসিয়া নদী: দখলে বিলীন, দূষণে ধ্বংস পরিবেশ

৮ বছরে রীট মামলার শুনানী হয়েছে ২০ বার, নদীর প্রবেশ মুখ খননের দাবি পরিবেশবাদীর

প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:০৪

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিয়া নদী ক্রমেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও নদীতে ফেলা ময়লা আবর্জনের কারণে পৌর শহরের পরিবেশ দূষণে বিপর্যস্ত।

উপজেলার পরিবেশবাদীরা বলছেন, বিগত ৮ বছর ধরে মামলা জটিলতায় নদীর তীর উচ্ছেদ কার্যক্রম আটকে আছে। উচ্ছেদ মামলার বিরুদ্ধে দখলদারদের পক্ষ থেকে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দুটি রীট মামলা করা হয়েছে, যা শুনানি হয়েছে প্রায় ২০ বার। ফলে এক সময়ের খরস্রোতা বাসিয়া নদী এখন সরু হয়ে একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।

পৌর শহরের ব্যবসায়ীরা নদীর তীরকে ময়লা আবর্জনার ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করছেন। নদীর দুই তীরে ময়লার স্তুপ থাকলেও পৌরসভার পক্ষ থেকে এ বছর কোনো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এতে শহরের সর্বত্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলে বিরক্তি সৃষ্টি করছে।

প্রায় ৯ মাস পূর্বে নদীর তীর থেকে ২৫০ টন ময়লা অপসারণ করা হয়েছিল, যার ব্যয় হয়েছিল ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা। কিন্তু ৯ মাসের মধ্যেই নদীর তীরে আবারও ময়লার স্তুপ জমে গেছে।

২০১৭ সালে নদীর তীর দখলকারী ১৮৭ জনের তালিকা তৈরি করে ভূমি অফিস থেকে উচ্ছেদ মামলা দায়ের করা হয়। দখলদারদেরকে স্বেচ্ছায় উচ্ছেদের জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থিতাবস্থার জন্য তাদের পক্ষ থেকে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দুটি রীট মামলা করা হয়।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ লুৎফুর রহমান জানান, ‘মামলাগুলো সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে।’

পরিবেশবাদী ও ‘উপজেলা হাওর বাঁচাও আন্দোলন’ কমিটির আহবায়ক সাজিদুর রহমান সোহেল বলেন, ‘নদী তীরের অবৈধ স্থাপনাগুলো দ্রুত উচ্ছেদ না করা হলে কয়েক বছরের মধ্যেই নদীর অস্তিত্বই থাকবে না। দক্ষিণ সুরমার মাসুক বাজারের পাশে সুরমা নদী থেকে বাসিয়া নদীর প্রবেশ মুখ খননের অভাবে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বর্ষাকালেও পর্যাপ্ত পানি থাকে না, আর শীত মৌসুমে নদী শুকিয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘নদীর মুখ খনন করা হলে পানির স্রোতে ময়লা আবর্জনা ভেসে যাবে, পরিবেশ সুষ্ঠু থাকবে এবং নদীপাড়ের কৃষকরাও উপকৃত হবেন।’