কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে যাত্রীবেশে সিএনজি অটোরিকশা ব্যবহার করে ছিনতাই চক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার (১১ জানুয়ারি) সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই (নিঃ) শিপলু চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে শাহপরাণ (রহঃ) থানার নূরপুর এলাকার শহিদুর রহমানের একটি গ্যারেজ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত ‘নাঈম এন্ড হাদী’ নামের সিএনজি অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পরে সিএনজির মালিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহপরাণ (রহঃ) থানার বিআইডিসি এলাকা থেকে চালককে আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটককৃতরা হলেন— সিলেট জেলার ওসমানীনগর থানার তাজপুর এলাকার কাশিরকাপন গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে জাহিদুল ইসলাম নাজিম (২৪)। তিনি বর্তমানে শাহপরাণ (রহঃ) থানার বিআইডিসি এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন। এছাড়া শাহপরাণ (রহঃ) থানার পীরেরবাজার এলাকার কেওয়া আটগাঁও গ্রামের মৃত জামাল খানের ছেলে ফয়সল আহমদ (২৫) ও হৃদয় খান (২৩)কেও আটক করা হয়। তারা বর্তমানে একই থানার সুরমা গেইট সংলগ্ন দলইপাড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন।
পুলিশ আরও জানায়, গত ৮ জানুয়ারি দুপুরে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন মেন্দিবাগ পয়েন্ট থেকে বন্দরবাজারগামী একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন পুলিশ সদস্য সাদেকুর রহমান। নাইওরপুল এলাকায় দারাজ অফিসের সামনে পৌঁছালে সিএনজিতে থাকা ছিনতাইকারীরা ধারালো চাকু দেখিয়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে তার কাছে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। ওই টাকা তার ছোট বোনের বিবাহের জন্য রাখা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে তাকে সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়ে ছিনতাইকারীরা দ্রুত সোবহানীঘাটের দিকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
