https://www.emjanews.com/

13074

international

প্রকাশিত

১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:২৩

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনের ২ লাখ সেনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ২০:২৩

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। দেশটির নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া প্রায় ২ লাখ সেনাসদস্য কর্মস্থল ছেড়ে পালিয়েছে।

সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে ফেদোরভকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, যুদ্ধকালীন সময়ে সামরিক দায়িত্ব এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছে। ফেদোরভ প্রথম কোনো ইউক্রেনের নেতা যিনি যুদ্ধ ছেড়ে সেনাদের পালানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইউক্রেনের পার্লামেন্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ফেদোরভ এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ফ্রন্টলাইনে দীর্ঘদিন ধরে সেনাদের মনোবল কমে যাওয়ায় এবং ব্যাপক পলায়নের গুজব শোনা যাচ্ছিল।’ তার মন্তব্যে সেই আশঙ্কার বাস্তব চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

ইউক্রেনের আইন অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের সামরিক নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, এবং ২৫-৬০ বছর বয়সীদের সরাসরি সামরিক মোতায়েনের আওতায় আনা হয়। যুদ্ধ চলাকালে জারি হওয়া মার্শাল ল’র অধীনে ২৩-৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশ ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও এ পর্যন্ত দশ হাজারের বেশি মানুষ অবৈধভাবে দেশ ছেড়েছে।

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের মোবিলাইজেশন ব্যবস্থায় বৃহত্তর পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেদোরভের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হবে সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা শক্তিশালী করা।

৩৫ বছর বয়সী ফেদোরভ ইউক্রেনের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি ডেনিস শ্মিহালের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। এর আগে ফেদোরভ উপপ্রধানমন্ত্রী ও ডিজিটাল রূপান্তরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেই সময়ে ড্রোন যুদ্ধ প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ তদারকি করেছেন।