শিরোনাম
ধানের শীষে একটি ভোট বদলে দিবে ইতিহাস: তাহসিনা রুশদীর লুনা সিলেট-১: ধানের শীষের সমর্থনে স্মরণকালের সর্বৃবহৎ মিছিল রোজায় ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান: সিসিকের মতবিনিময় সভা হাবিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিলের দাবি সিলেট বিএনপির ভোট বঞ্চিত সিলেটের গণমাধ্যমকর্মীরা: পোস্টাল ব্যালটেও সুযোগ মিলেনি তারেক রহমান ও শফিকুর রহমান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন আজ প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ আমি কেবল স্বপ্ন দেখি না, কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হয় সেই পথও জানি: আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটকে বানাবো দেশের রোল মডেল: খন্দকার মুক্তাদির ওসির আচরণে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে: বিএনপির অভিযোগ

https://www.emjanews.com/

13690

surplus

প্রকাশিত

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০:১৬

অন্যান্য

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি: দুই শিশুসহ ৫৩ জন নি খোঁ জ

প্রকাশ: ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০:১৬

ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে দুই শিশুসহ অন্তত ৫৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ সবাই মারা গেছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।

আইওএম জানায়, ৫৫ জন আরোহী বহনকারী নৌকাটি গত ৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার উপকূলীয় শহর জুয়ারার উত্তরে ভূমধ্যসাগরে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর মাত্র দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, উদ্ধার হওয়া দুজনকে তীরে নামানোর পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে আইওএম জানায়, নৌকাটিতে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের শরণার্থী ও অভিবাসীরা ছিলেন। নৌকাটি ৫ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-জাওইয়া এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে এবং প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সাগরে ডুবে যায়।

আইওএমের ‘মিসিং মাইগ্র্যান্টস প্রজেক্ট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিপজ্জনক সেন্ট্রাল মেডিটেরানিয়ান রুটে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনায় চলতি বছর এ পথে মৃত বা নিখোঁজ শরণার্থী ও অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮৪ জনে।

সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, শুধু জানুয়ারি মাসেই চরম আবহাওয়ার মধ্যে সেন্ট্রাল মেডিটেরানিয়ানে একাধিক ‘অদৃশ্য’ নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৩৭৫ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ অনেক মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্তই হয়নি।

আইওএম সতর্ক করে বলেছে, এসব দুর্ঘটনা বারবার ঘটার বিষয়টি প্রমাণ করে যে, ইউরোপে পৌঁছানোর আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিতে গিয়ে শরণার্থী ও অভিবাসীরা এখনও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।