সিলেট মহানগরীতে পৃথক অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় কিশোর গ্যাংয়ের ৯ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। কোতোয়ালী মডেল থানা ও শাহপরাণ থানা পুলিশের অভিযানে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সর্বশেষ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বাগবাড়ী এলাকার তকদীর পয়েন্টের পিডিপি গেইটের সামনে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকিরের দিকনির্দেশনায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতরা হলেন সুনামগঞ্জ জেলার, সুনামগঞ্জ সদর থানার, আশকুড়ি বীরগাঁও এলাকার পারভেজের ছেলে সাদি ইসলাম সানি (১৮), বর্তমানে কোতোয়ালী থানার কানিশাইল মজুমদারীপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন, সুনামগঞ্জ জেলার, মধ্যনগর থানার, চামারদানি এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে আবুল মড়ল (১৮), বর্তমানে কোতোয়ালী থানার ঘাসিটুলা এলাকায় বসবাস করছেন, হবিগঞ্জ জেলার, বানিয়াচং থানার, শরিফ উদ্দিন রোড এলাকার জিয়াউর রহমানের ছেলে নাহিদ আহমেদ রনি (১৮), বর্তমানে কোতোয়ালী থানার ঘাসিটুলা এলাকায় বসবাস করছেন, সুনামগঞ্জ জেলার, তাহিরপুর থানার, মাহমুদপুর এলাকার রিপন তালুকদারের ছেলে রিফাত তালুকদার (১৮), বর্তমানে কোতোয়ালী থানার ঘাসিটুলা এলাকায় বসবাস করছেন এবং সুনামগঞ্জ জেলার, তাহিরপুর থানার, রামসিমপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে জনি আহম্মেদ (১৯), বর্তমানে কোতোয়ালী থানার ঘাসিটুলা এলাকায় বসবাস করছেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংক্রান্ত আইনে মামলা করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
একই দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন কাষ্টঘর এলাকা থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়। আটককৃত সুনামগঞ্জ জেলার, ছাতক থানার, টুকেরগাঁও এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (১৯), বর্তমানে মোগলাবাজার থানার শ্রীরামপুর এলাকায় বসবাস করছেন। পুলিশ বলছে, তিনি ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত এবং কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ছাড়া শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় শাহপরাণ থানা পুলিশের অভিযানে শাহপরাণ এলাকার বালুচর এলাকা থেকে কিশোর গ্যাংয়ের আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে কিশোর গ্যাং সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
