শিরোনাম
সিলেটে অপহরণকান্ডে ছেলে গ্রে/ফ/তা/র: বিএনপি থেকে বাবার পদত্যাগ সিলেটে তেল না পেয়ে কর্মচারীকে ছু/রিকা/ঘাত: তিনজন গ্রে ফ তা র সিলেটে দিনদুপুরে নারীর ব্যাগ ছি ন তা ই: কে এই রশিদ? ধর্মঘট প্রত্যাহার, ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ ঘোষণা খুঁটি কম, বিল বেশি: সিলেটের বিদ্যুৎ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ মহানগর পুলিশের সঙ্গে খন্দকার মুক্তাদিরের মতবিনিময় সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটেও বাংলাদেশি জাহাজে বাধা দেবে না ইরান সিলেটে র‌্যাবের চিরুনি অভিযানে ‍এক রাতে ধরা ১৬ ছি/ন/তা/ই/কারী সিলেটের একজনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৪ কর্মকর্তাকে বদলি

https://www.emjanews.com/

14320

sylhet

প্রকাশিত

১১ মার্চ ২০২৬ ১৩:৩৮

সিলেট

সিলেটে কম দামে গরুর মাংস, দুধ ও ডিম, কোথায় মিলবে সরকারি এই সুবিধা?

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬ ১৩:৩৮

পবিত্র রমজানে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার মধ্যে সিলেটে তুলনামূলক কম দামে গরুর মাংস, ব্রয়লার মোরগ, দুধ ও ডিম বিক্রি করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। নগরীর কয়েকটি নির্ধারিত স্থানে ট্রাকের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিদিন ট্রাকযোগে এসব আমিষজাত খাদ্য নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরুর মাংস, ব্রয়লার মোরগ, দুধ ও ডিম রয়েছে।

সরকারি এই কার্যক্রমে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ৬৫০ টাকায়। যেখানে সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত মূল্য ৭৫০ টাকা। তবে বাজারে অনেক স্থানে গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া ড্রেসি ব্রয়লার মোরগের প্রতি কেজি বিক্রি করা হচ্ছে ২৪৫ টাকায়। যা সাধারণ বাজারমূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একইভাবে প্রতি লিটার গরুর দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতি পিস ডিম ৮ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত নগরীর মির্জাজাঙ্গাল পয়েন্টে এবং দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্দরবাজারের কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

পণ্য অবশিষ্ট থাকলে বিকেল ৪টার পর নগরীর সুবিদবাজারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়ও বিক্রির চেষ্টা করা হয় বলে জানিয়েছেন এ কার্যক্রমের সমন্বয়ক ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুনায়েদ কবীর।

তিনি জানান, এ কার্যক্রম পহেলা রমজান থেকে শুরু হয়েছে এবং আগামী ২৬ রমজান পর্যন্ত চলবে। এতে সাধারণ মানুষের কাছে তুলনামূলক কম দামে আমিষজাত খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।