https://www.emjanews.com/

14625

sylhet

প্রকাশিত

৩১ মার্চ ২০২৬ ১১:২৯

আপডেট

৩১ মার্চ ২০২৬ ১৪:২৮

সিলেট

সিলেটের কিশোরীকে মিললো ভৈরবে: আ/ট/ক ১

প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১১:২৯

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে নিখোঁজ হওয়া কিশোরীকে অবশেষে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাব-৯ ও র‌্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে আটক করা হয়েছে ওই ঘটনার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি কামাল হোসেনকে। বিষয়টি জানায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের সংশ্লিষ্ট ইউনিট।

র‌্যাব জানায়, এলিট ফোর্স হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মাদক থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজি, জঙ্গিবাদ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে বাহিনীর সদস্যরা। একইভাবে বিভিন্ন সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও র‌্যাবের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ব্যাটালিয়নের তথ্য অনুযায়ী, কিশোরীটি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার নতুন জীবনপুর এলাকার বাসিন্দা। আটককৃত কামাল হোসেন বিবাহিত এবং তার এক সন্তান রয়েছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের পরিবারের আশপাশে যাতায়াত করতেন এবং এক পর্যায়ে কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সালিশ হয়, যেখানে কামাল সম্পর্ক না রাখার অঙ্গীকার করেন।

গত বছরের ১৬ মার্চ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কামাল হোসেন কিশোরীকে বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে নিজের সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে অপহরণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাটি স্থানীয় লোকজন প্রত্যক্ষ করে। পরে ভিকটিমের দাদু বিষয়টি জানতে পেরে ধারণা করেন যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কিশোরীকে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র‌্যাব-৯ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯ এর সিপিএসসি সিলেট এবং র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের একটি যৌথ দল শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার কালিপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় কোম্পানীগঞ্জের মামলায় পলাতক আসামি কামাল হোসেনকে আটক করা হয় এবং কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

আটককৃত আসামি কামাল হোসেন (৩০) সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার চন্দ্রনগর এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে। উদ্ধারকৃত ভিকটিমসহ তাকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাব জানায়, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিয়মিত অভিযান চলমান থাকবে।