https://www.emjanews.com/

14680

economics

প্রকাশিত

০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৫২

আপডেট

০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৫৩

অর্থনীতি

হরমুজে অনুমোদিত বাংলাদেশি ৬ জাহাজের ৫টিরই চালান বাতিল

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৫২

ছবি: সংগৃহীত

 বাংলাদেশের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে ইরান সরকার। তবে এর মধ্যে পাঁচটি জাহাজের চালান ইতোমধ্যে বৈশ্বিক সরবরাহকারীরা বাতিল করেছে বলে জানা গেছে।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরানে পাঠানো জাহাজের তালিকাটি পুরোনো পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। এতে কাতারএনার্জি ও ওমানের ওকিউ ট্রেডিংয়ের ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পরপরই, মার্চের শুরুতে এই দুই প্রতিষ্ঠান জ্বালানি সরবরাহ স্থগিত করে।

জ্বালানি বিভাগ থেকে পাঠানো তালিকায় এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য পাঁচটি এলএনজি কার্গোর উল্লেখ ছিল। এর মধ্যে চারটি কাতারএনার্জির এবং একটি এক্সিলারেট এনার্জির।

তবে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরফানুল হক নিশ্চিত করেছেন, এসব চালান এখন আর কার্যকর নয়। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্থগিতাদেশ অন্তত ৮ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে বলে তিনি জানান।

আরফানুল হক বলেন, “যুদ্ধ শুরুর পর যেসব চালান বাতিল হয়ে গেছে, সেগুলোর জাহাজের তালিকা কেন ইরানে পাঠানো হলো, তা আমাদের জানা নেই।” তিনি আরও বলেন, “ফোর্স মেজরের কারণে এপ্রিল মাসে কাতারএনার্জির কোনো এলএনজি কার্গো নেই। তালিকাভুক্ত জাহাজগুলো কার্যত অস্তিত্বহীন।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা স্বীকার করেন, ফোর্স মেজর পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা নিশ্চিত না হওয়ায় ভুলবশত যুদ্ধ-পূর্ব আমদানির পরিকল্পনা অনুযায়ী তথ্য পাঠানো হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, কিছু জাহাজ ফোর্স মেজরের আওতায় থাকলেও অপরিশোধিত তেলবাহী একটি জাহাজ এর বাইরে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাহাজগুলো আনা সম্ভব কিনা, তা খতিয়ে দেখতে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’