শিরোনাম
বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি, সুনামগঞ্জে ডুবেছে পাকা ধান নাগরিকত্ব ছাড়তে ভিড়: যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন হাজারো মার্কিন নাগরিক সাড়ে ৪ গ্রাম ইউরেনিয়ামেই ৪১৭ লিটার ডিজেলের সমান শক্তি সিলেটে টানা পাঁচদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর বিশ্বে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের তালিকায় এখন বাংলাদেশ: ফুয়েল লোডিং শুরু সিলেটে যে কারণে আ/ট/ক অর্ধশতাধিক সিলেটে কালবৈশাখী ঝড়ের শঙ্কা: হঠাৎ শুরু হয়ে দ্রুত বাড়বে তীব্রতা সিলেটের সাত এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটপূর্ণ’ ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু সিলেটে পরিবহণ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

https://www.emjanews.com/

15296

sylhet

প্রকাশিত

২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৪৮

সিলেট

শুকাতে না পেরে খলায় নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার মণ ধান

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৪৮

ছবি: সংগৃহীত

ভাটির জনপদ হাওরবেষ্টিত এলাকায় বৈশাখের শুরু থেকে থেমে থেমে ঝড়, বজ্রপাতসহ টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরাঞ্চলে দেখা দিয়েছে চরম কৃষি সংকট। গেলো এক সপ্তাহের সময় ধরে চলমান বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনি ও মাটিয়ান হাওরসহ উপজেলার ২৩টি হাওরের কৃষকরা কাটাধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

কাটা ধান শুকাতে না পেরে খলায় নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার মণ ধান। একইসঙ্গে ভারি বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষক পাকা ধান কাটতে না পারায় জমিতেই নষ্ট হচ্ছে শত শত বিঘা জমির ফসল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টি ও আকাশ মেঘলা থাকায় কাটা ধান শুকানোর কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না কৃষকরা। খলায় স্তুপ করে রাখা ধান ভিজে গিয়ে অনেক ধান নষ্ট হতে বসেছে। এতে ধানের গুণগত মান নষ্ট হওয়ায় বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তাহিরপুর উপজেলার ২৩টি হাওরে প্রায় ১৭ হাজার ৫০৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে।

মাটিয়ান হাওরের কৃষক আলী হোসেন জানান, তিনি ১৭ একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। হাওরের জাঙ্গালের বেহাল দশা ও জমিতে পানি থাকায় হারভেস্টার ব্যবহার করতে না পেরে শ্রমিক দিয়ে কষ্ট করে ৫ একর ধান কেটে খলায় তুলেছেন। কিন্তু রোদ না থাকায় তা শুকাতে পারছেন না। বৃষ্টিতে ধান ভিজে অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

একই হাওরের কৃষক সবুজ মিয়া বলেন, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ৫ একর জমিতে ধান লাগিয়েছেন। কিন্তু শ্রমিক সংকট ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ধান কাটতে পারছেন না। জাঙ্গালের অবস্থা খারাপ থাকায় যন্ত্র দিয়েও ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জমিতেই ধান নষ্ট হচ্ছে। এতে পরিবার নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তার।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে সমস্যা হচ্ছে, এতে কিছু ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিকল্প উপায়ে ধান শুকানোর বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।