https://www.emjanews.com/

16220

international

প্রকাশিত

০৮ জুন ২০২৬ ২০:৩৪

আন্তর্জাতিক

৪,৮০০ ‘অবৈধ অভিবাসীকে’ বাংলাদেশে ফেরত, হোল্ডিং সেন্টারে আরও ৮৩৬ জন: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী 

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ ২০:৩৪

ছবি: শুভেন্দু অধিকারী।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ জন ‘অবৈধ বাংলাদেশিকে’ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্থাপিত হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে আরও ৮৩৬ জন বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

রোববার (৭ জুন) কলকাতায় বিজেপির একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত রাখা আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে স্থাপিত হোল্ডিং সেন্টার থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে আরও ৮৩৬ জন নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, অবৈধ অভিবাসনের কারণে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তন একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগ বিজেপির অন্যতম প্রধান প্রচারণার বিষয় ছিল উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় না থাকা অবৈধ অভিবাসীদের কেন্দ্রীয় সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের অন্যান্য রাজ্যে এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হলেও পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। বরং অবৈধ অভিবাসীদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শুভেন্দুর ভাষ্য, বর্তমান সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে প্রয়োজনীয় নথিপত্রবিহীন অনেক অভিবাসী ইতোমধ্যে স্বেচ্ছায় ভারত ছেড়ে চলে গেছেন।

এদিকে, এমন সময় এই দাবি সামনে এলো যখন সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি একাধিকবার দাবি করেছে, বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করার কথাও জানিয়েছে বাংলাদেশ।

তবে শুভেন্দু অধিকারীর উত্থাপিত পরিসংখ্যান ও দাবি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।