গ্রীষ্ম ও বর্ষার সন্ধিক্ষণে মৌসুমি ফলের সমাহারে জমে উঠেছে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার। আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, আনারস, পেয়ারা ও কলাসহ নানা দেশীয় ফলে বাজারগুলো এখন রঙিন ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
উপজেলার শান্তিগঞ্জ, পাগলা, নোয়াখালী, গণিগঞ্জ, আক্তাপাড়া, চিকারকান্দি বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে মৌসুমি ফলের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে পরিবারের শিশু-কিশোরদের জন্য দেশীয় ফল কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন অভিভাবকরা।
ফল ব্যবসায়ীরা জানান, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ফলের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আম, লিচু কাঁঠাল ও আনারস বাজারে আসছে। সরবরাহ ভালো থাকায় অধিকাংশ ফলের দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে।
পাগলা বাজারের ফল বিক্রেতা জুয়েল মিয়া বলেন, “এখন ফলের মৌসুম। প্রতিদিনই ভালো বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহও বেড়েছে।”
ক্রেতারা মিজানুর রহমান জানান, সাধারণত মৌসুমি ফল শুধু সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর হয়। তাই নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এসব ফল রাখার চেষ্টা করছি।
এ বিষয় উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হলেন ডা. মো. ইকবাল হাসান বলেন, মৌসুমি ফল ভিটামিন ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। কৃত্রিম পানীয় ও জাঙ্কফুডের পরিবর্তে শিশুদের দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, শান্তিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারগুলোতে মৌসুমী রঙ-বেরঙের ফলের পসরা যেমন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও ভালো বিক্রির আশা করছেন। আমরা স্থানীয়ভাবে ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে কৃষি বিভাগ বিভিন্ন পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করছি।
