https://www.emjanews.com/

16372

surplus

প্রকাশিত

১৩ জুন ২০২৬ ২৩:০৫

অন্যান্য

সৌদিতে কর্মী ও ভিসা ব্যবস্থাপনায় নতুন নির্দেশনা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬ ২৩:০৫

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে বসবাসরত প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি (বিশেষ আবাসন সুবিধা) হোল্ডারদের জন্য এখন থেকে নির্দিষ্ট ওয়ার্ক পারমিট গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ডিজিটাল শ্রম প্ল্যাটফর্ম ‘কিওয়া’ (Qiwa) এ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।

স্থানীয় দৈনিক ওকাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন এই ওয়ার্ক পারমিট পেতে প্রত্যেক আবেদনকারীকে ১০০ সৌদি রিয়াল ফি পরিশোধ করতে হবে।

সম্প্রতি কিওয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ চুক্তি, কর্মীদের পদত্যাগ এবং ভিসা ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সেবাকে আরও সহজ ও সুনির্দিষ্ট করতে একগুচ্ছ নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাবস্ক্রিপশন বা নিবন্ধন ফি প্রতিষ্ঠানের আকার এবং ইউনিফাইড নম্বরের আওতায় নিবন্ধিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। সেবামূল্য পরিশোধের জন্য ব্যাংক কার্ড, সাদাদ পেমেন্ট সিস্টেম এবং কিওয়া ডিজিটাল ওয়ালেট ব্যবহার করা যাবে।

এদিকে সৌদির জনপ্রিয় কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ‘তামহীর’-এর আওতাধীন প্রশিক্ষণ চুক্তিগুলো এখন থেকে কিওয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে নিবন্ধন করা যাবে। তবে এসব প্রশিক্ষণ চুক্তি সৌদিকরণ নীতির আওতায় স্থানীয় কর্মী নিয়োগের হিসাবের মধ্যে গণ্য হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কর্মীদের পদত্যাগ প্রক্রিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কর্মী পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। তবে এই সুযোগ তখনই প্রযোজ্য হবে, যদি ওই সময়ের মধ্যে নিয়োগকর্তা পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করেন বা সিদ্ধান্ত স্থগিত না রাখেন।

কিওয়া আরও জানিয়েছে, চাকরি ছাড়ার আগে নোটিশ পিরিয়ডের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং তা কর্মীভেদে ভিন্ন হতে পারে।

ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে প্ল্যাটফর্মটি স্পষ্ট করেছে, একবার কোনো ভিসা ইস্যু হয়ে গেলে তার তথ্য আর সংশোধন করা যাবে না। ভিসায় কোনো ভুল তথ্য থাকলে সেটি বাতিল করে সঠিক তথ্য দিয়ে নতুন করে আবেদন করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই নীতিমালার ফলে সৌদির শ্রমবাজারে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল সেবা ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে।