https://www.emjanews.com/

16789

economics

প্রকাশিত

৩০ জুন ২০২৬ ২২:০০

অর্থনীতি

জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি ও বিতর্কিত কর বিধান প্রত্যাহার করে এই বাজেট পাশ করা হয়।

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬ ২২:০০

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে এই বিশাল বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে এই বাজেট কার্যকর হবে। দেশের ৫৫তম এই বাজেটটি বর্তমান বিএনপি সরকারের মেয়াদে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছিলেন।

বাজেট পাসের আগের দিন সোমবার অর্থবিলে অর্থবহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা নির্ধারণ। এছাড়া জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বিতর্কিত বিধানটি জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তিনটি বিশেষ খাতে নতুন করে ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসা হয়েছে। বাজেট আলোচনায় সংসদের বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সদস্যরা করনীতি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করেন, যা সংসদীয় গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

মন্ত্রণালয়গুলোর ব্যয় নির্বাহের জন্য উত্থাপিত ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে বিরোধী সদস্যরা ১ হাজার ৩৪২টি ছাঁটাই প্রস্তাব দিলেও তা কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এবারের বাজেটে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে এনবিআর কর হিসেবে আদায় করবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি থাকলেও সরকার এটিকে জিডিপির ৩.৬ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে।

অর্থমন্ত্রী তার সমাপনী বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই বাজেটের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে।