শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪ বাংলাদেশিদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বন্ধ, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র অবশেষে জৈন্তেশ্বরী মিউজিয়াম প্রাঙ্গণে মেলা বন্ধ, সংস্কারের তালিকায় ছয় প্রত্নস্থল শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ১৯ দিনে মিলল ৪৭ লাখ টাকা শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ধ/র্ষণ, খু/নের বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি সিলেটে ৩২ ঘণ্টার অভিযানে ৬৫ জন গ্রেফ/তার ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা আজ সিলেটে কালকের এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে সিলেটে কুশিয়ারা-সুরমার পানি বৃদ্ধি, দুই পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম

https://www.emjanews.com/

17042

national

প্রকাশিত

১১ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৫

জাতীয়

প্রশ্ন কঠিনের জেরে এইচএসসি কেন্দ্রে হামলা, টিয়ারশেল ছুড়ল পুলিশ

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

ভোলার চরফ্যাশনে এইচএসসি পরীক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়ার অজুহাতে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে পরীক্ষা শেষে ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে উত্তেজিত পরীক্ষার্থীরা ভাঙচুর ও তান্ডব চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে হয়েছে। এই সংঘর্ষ ও হামলায় কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলরসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চরফ্যাশন কলেজের ৭৮৪ জন শিক্ষার্থী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরীক্ষার্থীদের দাবি, প্রশ্নপত্র অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় এবং হল পরিদর্শকরা কঠোর নজরদারি ও ‘রূঢ় আচরণ’ করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই শিক্ষার্থীরা কলেজের ফটকের সামনে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করে। একপর্যায়ে কয়েকশ শিক্ষার্থী ও বহিরাগত মিলে কলেজের উত্তর ও পশ্চিম পাশের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ লোহার পাইপ নিয়ে শিক্ষক মিলনায়তন ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে হামলা চালায়।

হামলায় আহতদের মধ্যে ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হুমায়ুন শিকদার কবির ও চরফ্যাশন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেলসহ বেশ কয়েকজন সাধারণ পথচারী রয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু অভিযোগ করেন, প্রশ্ন কঠিন হওয়া একটি অজুহাত মাত্র। মূলত পরীক্ষায় কোনো প্রকার অসদুপায় অবলম্বন করতে না দেওয়ায় পরীক্ষার্থীরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তিনি জানান, হামলাকারীরা কলেজের দরজা-জানালা, সাইনবোর্ড ও আসবাবপত্র ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বিক্ষোভকারীরা মারমুখী অবস্থানে থাকায় কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষার উত্তরপত্রগুলো নিরাপদে ডাকঘরে জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের এই তাণ্ডবের পেছনে কোনো মহলের উসকানি থাকতে পারে।