যুক্তরাজ্যে ‘দ্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’ এর মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬ ২০:৩০
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যভিত্তিক জনকল্যাণমূলক দাতব্য সংস্থা ‘দ্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল’ উদ্যোগে যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনের ক্রওলি শহরে একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ১১টায় মতবিনিময় ও নেটওয়ার্কিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রাইটনের বিশিষ্ট মুরব্বী আলহাজ্ব এম এ কাইয়ুম।
প্রেস-মিডিয়া ডাইরেক্ট শাহ সোহেল আমিনের পরিচালনায় সভায় হাসপাতালের কার্যক্রম, আয় ব্যয়ের হিসাব প্রদান করা হয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রবাসীদের সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উপস্থিত বক্তারা স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা এবং এক সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বক্তব্য দেন, সেক্রেটারী জেনারেল হেড অব ফাইন্যান্স কাউন্সিলর মোহাম্মদ আয়াছ মিয়া, ট্রেজারার মাওলানা সিরজুল ইসলাম সাদ, ট্রাষ্টি এম আবুল হাশেম, সমুজ আলী, আসিক আলী, উপদেষ্টা-ডা. আতাউর রহমান. এম এ কাইয়ুম, ফজলুর রহমান, মসলান্দর আলী, আবুল কালাম আজাদ চোটন, আসাব আলী, আবুল হক, সৈয়দ মনুয়ার আহমেদ, ফয়সল আহমেদ, খয়রুল ইসলাম, আশিকুর রহমান, আবদুল হান্নান, ইউসুফ আলী, তাহিদ মিয়া কয়েস, মির্জা শাহিন বেগ, শিপার বেগ, ফারুক আলী, ফারুক হোসেন।ফাউন্ডার মেম্বার খালেদ মাসুদ রনি, কো-অর্ডিনেটর ফারুক মিয়া প্রমুখ।
সভায় অনেকে ফাউন্ডার মেম্বার হন এবং হওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ রেজিস্টার্ড চ্যারিটি ‘The £1 Hospital’–এর একটি সম্পূর্ণ অলাভজনক মানবিক প্রকল্প। যা সিলেটসহ বাংলাদেশের অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে। মানবিক কাজে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান বক্তারা।
দ্য ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল একটি যুক্তরাজ্য নিবন্ধিত জনকল্যাণমূলক দাতব্য সংস্থা। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের দোরগোড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে এবং বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া।
মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য-
জরুরি স্বাস্থ্যসেবা: বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
হাসপাতাল নির্মাণ: সিলেটের বিশ্বনাথে ব্রিটিশ মানের একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সাধারণ (জেনারেল) হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা।
সাশ্রয়ী ও বিনামূল্যে সেবা: সাধারণ ও দুস্থ মানুষের জন্য কম খরচে অথবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যবস্থা করা।
বহুমুখী চিকিৎসা কার্যক্রম: প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক (শুক্রবার বিনামূল্যে চিকিৎসা) চালুর পর একে সপ্তাহের প্রতিদিনের পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে রূপান্তর করা।
