শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে খন্দকার মুক্তাদিরের নতুন দায়িত্ব মেয়েদের উপবৃত্তি ফেরানোর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিলেট-তামাবিল সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মঙ্গলবার সিলেট আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে এবার আরেক ব্যবসায়ীকে বাড়ির পাশে কুপিয়ে খু/ন সিলেটে সিএনজি অটোরিকশাকে বাসের ধাক্কা: মাদরাসাছাত্রী নিহ/ত, আহ/ত ৩ দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হলেন হুমায়ুন কবির বিশ্বের চাষযোগ্য জমির শতাংশে শীর্ষে বাংলাদেশ নুসরাত হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় সোমবার সিলেট-সুনামগঞ্জ সফরে মন্ত্রী আরিফুল হক, থাকছে একাধিক কর্মসূচি

https://www.emjanews.com/

18059

national

প্রকাশিত

২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৯

আপডেট

২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:১১

জাতীয়

মেয়েদের উপবৃত্তি ফেরানোর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দুই জেলায় মিড-ডে মিল প্রকল্প

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৯

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।।

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাই করে সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, ওই কর্মসূচির ফলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

কর্মসূচিটি চালু হলে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

দুই জেলায় মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্প

বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা খাবার পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। কোনোভাবেই খাবারের মানের সঙ্গে আপস না করার নির্দেশও দেন তিনি।

মিড-ডে মিল বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ বিবেচনায় নিয়ে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

দুটি পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাই করতে পৃথক দুটি জেলায় প্রতিটি পদ্ধতির পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।