শিরোনাম
৫৩৮ মরদেহ উদ্ধার, আরও ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী অবশেষে সুনাই নদীতে নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল বিয়ানীবাজার সিলেটে বাস-অটোরিকশা-বাইকের ত্রিমুখী সংঘর্ষ কথিত তৌহিদী জনতার বাধা উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজারে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত নেত্রকোণায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ: শিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ৩০ জন: সিলেটের চার জেলায় কে কোথায়? নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৩৩২, বাড়ছে নিখোঁজের তালিকাও নেপালের বন্যার পানি গঙ্গা হয়ে আসছে বাংলাদেশে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট থেকে লাফ দিয়ে পর্যটকের মৃত্যু

https://www.emjanews.com/

18168

surplus

প্রকাশিত

২৯ আগস্ট ২০২৬ ০০:০৭

অন্যান্য

বই মানুষকে শুধু জ্ঞানী নয়, মানবিকও করে তোলে- বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬ ০০:০৭

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। আর জ্ঞান অর্জনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো বই। বই মানুষের চিন্তার জগৎকে প্রসারিত করে, বিবেককে জাগ্রত করে এবং তাকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভ্র প্রকাশন আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগরের জিন্দাবাজারস্থ নেহার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অভ্র সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে তাঁর জীবনসঙ্গীনি সাজেদা বেগম উপস্থিত ছিলেন। 

বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী লেখাপড়ার পাশাপাশি মননশীল ও সৃজনশীল গ্রন্থ পাঠের অভ্যাস গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বই কেবল তথ্য ও জ্ঞান দেয় না, মানুষের সঙ্গে মানুষের, অতীতের সঙ্গে বর্তমানের এবং একটি প্রজন্মের সঙ্গে আরেকটি প্রজন্মের সেতুবন্ধন তৈরি করে। একটি ভালো বই নীরবে একজন মানুষের চিন্তা ও জীবনবোধে পরিবর্তন আনতে পারে। বই পাঠের মধ্য দিয়ে মানুষ অন্যের জীবন, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতাকে জানতে শেখে; ফলে তার মধ্যে সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও মানবিক বোধ তৈরি হয়।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনের সময়ে বই পড়ার অভ্যাস নানা কারণে কমে যাচ্ছে। অথচ একটি আলোকিত ও সংস্কৃতিমনস্ক সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের প্রয়োজন আরও বেড়েছে। শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে শুধু পরীক্ষামুখী শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের হাতে ভালো বই তুলে দিতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বই পড়ার প্রতি তরুণদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। 

এছাড়াও শৈশব কৈশরের অনেক স্মৃতিচারণ করেন তিনি। এই শহর থেকে আইনের পথের অভিযাত্রার কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক, কবি, অধ্যাপক নৃপেন্দ্র লাল দাশ, মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, সিনিওয়র আইনজীবী দয়াল চন্দ্র দাশ, লেখক ও রবীন্দ্রগবেষক মিহিরকান্তি চৌধুরী, অধ্যাপক ও লেখক স্বপন নাথ, আইনজীবী ও লেখক বিধুভূষন ভট্টাচার্য, অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হিমাংশু রঞ্জন দাশ, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রধান লেখক প্রণবকান্তি দেব, লেখক রণদীপম বসু, অনলাইন সিলেট-এর সম্পাদক আবদুল হক মামুন প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে অভ্র প্রকাশনের প্রধান নির্বাহী ও গবেষক অপূর্ব শর্মা প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সবশেষে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাতে বই তুলে দেন লেখকরা।