শিরোনাম
৫৩৮ মরদেহ উদ্ধার, আরও ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী অবশেষে সুনাই নদীতে নৌকাবাইচ, উৎসবে মাতল বিয়ানীবাজার সিলেটে বাস-অটোরিকশা-বাইকের ত্রিমুখী সংঘর্ষ কথিত তৌহিদী জনতার বাধা উপেক্ষা করে বিয়ানীবাজারে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত নেত্রকোণায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ: শিক্ষকসহ দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ৩০ জন: সিলেটের চার জেলায় কে কোথায়? নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৩৩২, বাড়ছে নিখোঁজের তালিকাও নেপালের বন্যার পানি গঙ্গা হয়ে আসছে বাংলাদেশে টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট থেকে লাফ দিয়ে পর্যটকের মৃত্যু

https://www.emjanews.com/

18163

international

প্রকাশিত

২৮ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫৯

আন্তর্জাতিক

৫৩৮ মরদেহ উদ্ধার, আরও ভয়াবহ বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫৯

ছবি: সংগৃহীত

চীন ও নেপাল সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হিমবাহ ও বিশালাকার পাথর ধসে নদীর গতিপথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে একটি বিশাল কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে।

কাঠমান্ডুস্থ চীনা দূতাবাস এক জরুরি সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, হ্রদে পানির স্তর বিপজ্জনক উচ্চতায় পৌঁছে উপচে পড়া শুরু করেছে। যেকোনো মুহূর্তে এই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বাঁধ ভেঙে ভাটি অঞ্চলে প্রলয়ংকরী বন্যা দেখা দিতে পারে। নেপাল অংশের ‘চ্ছোদেন খোলা’ ও ‘পুরেপু সাংপো’ নদীর সংযোগস্থলে এই ধসের ঘটনা ঘটে। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নেপালের রসোয়াসহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ইতিমধ্যেই বন্যা পরিস্থিতি নাজুক।

চীনা দূতাবাস ও নেপাল কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক এলাকাটি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে হ্রদে ঠিক কী পরিমাণ পানি জমে আছে বা কখন এটি ভেঙে পড়তে পারে, সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে নেপালের রাসুয়ায় সাম্প্রতিক বন্যায় মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে ৫৩৮টি মরদেহ উদ্ধার করেছে নেপাল পুলিশ। এর মধ্যে নওয়ালপরাসি পূর্ব থেকে ২২১টি এবং নওয়ালপরাসি পশ্চিম থেকে ১৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া ধাদিং, গোরখা ও চিতওয়ান এলাকা থেকেও বিপুল সংখ্যক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতে অনেক মরদেহ মূল ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ভেসে গেছে বলে জানানো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভাটি অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পানির স্তরের যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ করলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

একইসঙ্গে গুজব ছড়িয়ে আতঙ্কিত না হতে এবং কেবল সরকারি ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর আস্থা রাখার জন্য চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উদ্ধার ও জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় বর্তমানে এই অঞ্চলটি চরম সংকটময় সময় পার করছে।