শিরোনাম
নিরাপত্তার চাদরে সিলেট: ৭ পয়েন্টে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাবে বিএনপি সিলেটে জনঘনিষ্ঠ ও যোগ্য প্রার্থী চায় বিএনপি: কপাল খুলবে কাদের? বাংলাদেশের বাজারে গুজরাটের ইলিশ, দুই মাসে আমদানি ৩৫২ টন মঙ্গলবার সিলেট আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির দুদকের পরিদর্শনের পর সিলেট ওসমানীতে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার তলব সিলেটসহ সারাদেশে ৭ ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর শাবিতে শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে বহিরাগত যুবক আ/ট/ক সিলেটে এক দিনে অর্ধশত গ্রেফ/তার সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় চার শিশুর মৃ/ত্যু ‘তৌহিদি জনতা’ নয়, এবার নৌকাবাইচ বন্ধ করতে চান ইউনিয়ন চেয়ারম্যান!

https://www.emjanews.com/

18664

national

প্রকাশিত

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:১১

জাতীয়

সিলেটসহ সারাদেশে ইউপি নির্বাচন: বাড়ছে ব্যয় ও জামানত

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:১১

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটসহ সারাদেশে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি বিধিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা দ্বিগুণ করার পাশাপাশি জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে প্রায় পাঁচ গুণ।

ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এই সংশোধনীর ভেটিং সম্পন্ন হয়েছে, যা চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হচ্ছে। সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের ক্ষেত্রে এই ব্যয় সীমা ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্যদের ক্ষেত্রে ১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে চলতি সপ্তাহেই কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, চলতি মাসেই নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে এবং বছরের শেষ নাগাদ ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে। ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবহৃত হওয়ায় পরীক্ষার আগে এক ধাপ নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা ভাবছে কমিশন।

এদিকে, আসন্ন নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন, যারা এই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ যুক্ত হতে যাচ্ছে। হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের অযোগ্য ঘোষণার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা পদে থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। যদিও ব্যালট পেপারে ‘না’ ভোটের বিধান এবং অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমার সুবিধা থাকছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় নতুন করে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আশ্বস্ত করেছেন যে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তপশিল ঘোষণার পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কমিশনাররা মাঠপর্যায়ে সফর করবেন।

দলীয় প্রতীকহীন এই নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণবিধি নিয়ন্ত্রণে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাড়তি ক্ষমতা দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে কমিশন।