সিলেট জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে গুণী শিক্ষক নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জেলা ও বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের পৃথক দুই দপ্তরীয় পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, সিলেট সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাছাইকৃত শিক্ষকদের মধ্য থেকে চারজনকে জেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিতরা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার জহিরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন লস্কর, ওসমানীনগর উপজেলার আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মত নুরজাহান বেগম, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১নং চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আদরী রানী দাস।
এ বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাখাওয়াত এরশেদ স্বাক্ষরিত এক স্মারকে নির্বাচিত শিক্ষকদের তথ্য বিভাগীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে থেকে তিনজন শিক্ষককে বিভাগীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তারা হলেন- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গিয়াসনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লতিফা নিলুফার, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডলি রানী দেব এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার নয়াবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আলম।
বিভাগীয় উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম সাইফুল হাসান স্বাক্ষরিত ২২ সেপ্টেম্বরের পত্রে বলা হয়, আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে এ নির্বাচন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে, জেলা পর্যায়ে নির্বাচিতদের মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের পিঠাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পাল ২০২৬ সালে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন। সম্প্রতি তার একটি নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। তবে এ ঘটনায় অনেক শিক্ষক, লেখক ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তি তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
