https://www.emjanews.com/

19286

international

প্রকাশিত

০৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৩৭

আন্তর্জাতিক

কলকাতায় ফের বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৩৭

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন ঘেরাওকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে শনিবার কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি নেয় বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। মিছিল মিশনের দিকে এগিয়ে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কি হয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে কলকাতার শিয়ালদহ রেলস্টেশন থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী এবং এনসিপিআইয়ের প্রায় ৬০ জন সমর্থক অংশ নেন।

মিছিলটি বাংলাদেশ মিশনের দিকে এগিয়ে গেলে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল কলকাতা পুলিশ। মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটকে দেওয়া হয়।

পুলিশের বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় ব্যারিকেড সরানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পরে বিক্ষোভকারীদের মিশনের সামনে যেতে না দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে পুলিশ। বাংলাদেশ মিশনের অনুমতি নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মিশনের ভেতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়।

স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরও কিছুক্ষণ মিশনের বাইরে অবস্থান করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা বাংলাদেশ মিশন চত্বর ছেড়ে চলে যান।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের সামনে একাধিকবার বিক্ষোভ ও ঘেরাও কর্মসূচি হয়েছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এদিনের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এনসিপিআই সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা একদল নেতাকর্মীর উদ্যোগে গঠিত রাজনৈতিক দল। দলটির একটি অংশ বিজেপির জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের সমর্থকদের একটি অংশই শনিবারের কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

বাংলাদেশ মিশনের সামনে বিক্ষোভকে ঘিরে কলকাতা পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি থাকায় পরিস্থিতি বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নেয়নি। স্মারকলিপি গ্রহণের পর আন্দোলনকারীরা সরে গেলে মিশনসংলগ্ন এলাকার পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়।