https://www.emjanews.com/

19263

international

প্রকাশিত

০২ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৫০

আন্তর্জাতিক

সারাওয়াক বাণিজ্য মেলায় প্রথমবার বাংলাদেশের অংশগ্রহণ

কুচিংয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথ পরিদর্শন ডেপুটি প্রিমিয়ারের

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৫০

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের কুচিংয়ে আয়োজিত সারাওয়াক ট্রেড ফেয়ার-২০২৬ ও পদাওয়ান ডিসকভারি ফেস্টিভ্যাল-২০২৬-এ প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে বাংলাদেশসহ চীন, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া ও পশ্চিম মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৮০টি প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তা পণ্য ও সেবা নিয়ে অংশ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) কুচিংয়ে সারাওয়াক ট্রেড ফেয়ার-২০২৬ ও পদাওয়ান ডিসকভারি ফেস্টিভ্যাল-২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারাওয়াকের উপপ্রধানমন্ত্রী ও জনস্বাস্থ্য, আবাসন এবং স্থানীয় সরকারবিষয়ক মন্ত্রী দাতুক আমর অধ্যাপক ড. সিম কুই হিয়ান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সারাওয়াক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এসএমএ) সভাপতি পিটার চাই মুয়ি সেং। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পদাওয়ান মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কাউন্সিলর তান কাই।

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, পর্যটন ও শিল্প খাতের প্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুরের ডেপুটি হাইকমিশনার মোসাম্মত শাহানারা মনিকা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্য অতিথিরা বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথ পরিদর্শন করেন।

এ সময় ডেপুটি হাইকমিশনার বাংলাদেশ বুথে অতিথিদের স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য ও সম্ভাবনার পাশাপাশি সারাওয়াকের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পর্যটন, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারে বাংলাদেশের আগ্রহ ও অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন।

সারাওয়াক ট্রেড ফেয়ার-২০২৬-এ বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান পিনাকল এসডিএন বিএসডিও অংশগ্রহণ করছে।

সারাওয়াকের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও পর্যটনকেন্দ্র কুচিংয়ে বাংলাদেশের এ অংশগ্রহণকে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সারাওয়াকের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবার পরিচিতি বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পর্যটন সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।