ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে নগরীর টিলাগড়ে বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে র্যালি শেষে এলটিআই সিলেটের অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‘ডিমে পুষ্টি, ডিমে শক্তি, ডিমে আছে রোগমুক্তি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডিমের পুষ্টিগুণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ জীবনযাপনে এর ভূমিকা তুলে ধরেন বক্তারা।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এম রাশেদ হাসনাত।
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. আবু জাফর মো. ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জোনায়েদ কবীর।
ড. আব্দুল কাহিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক বিবেক চন্দ্র রায় ও ওয়েস্টার পোল্ট্রির স্বত্বাধিকারী মো. ইমরান হোসাইন।
বক্তারা বলেন, ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার। এতে থাকা ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের বিকাশ ও কার্যকারিতায় সহায়তা করে। ডিমে উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন (এইচডিএল) থাকায় হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্যও এটি উপকারী হতে পারে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে ওয়েস্টার পোল্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইমরান হোসাইন বলেন, মুরগির খাদ্যের দাম প্রতি ৫০ কেজির বস্তায় প্রায় ২০০ টাকা বেড়েছে। উৎপাদন ব্যয় কমাতে মুরগির খাদ্যের দাম কমানোর জন্য তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন। তাঁর মতে, খাদ্যের দাম কমানো সম্ভব হলে ভোক্তা পর্যায়ে আরও কম দামে ডিম সরবরাহ করা যাবে।
বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে শনিবার এতিমখানা, পথশিশু, সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন কেন্দ্র ও কিশোরালয়ে ডিম খাওয়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া আগামী রোববার নগরীর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিম খাওয়ানোর উৎসব আয়োজন করা হবে।
