শাবিপ্রবির রেজিস্ট্রারসহ তিন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল, সড়ক সংস্কারে ব্যয় তদন্তে কমিটি
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:২০
ছবি: সংগৃহীত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) রেজিস্ট্রার সৈয়দ সেলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির ও প্রধান প্রকৌশলী জয়নাল আহমেদ চৌধুরীসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া তিন কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কারে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গেলো শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য।
নিয়োগ বাতিল হওয়া অপর কর্মকর্তা হলেন প্রকৌশলী বিকাশ চন্দ্র দাস।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক পদ পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদিরকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তা জয়নাল ইসলাম চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমদ চৌধুরী এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কারের কাজে ব্যয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলামকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরী, সিন্ডিকেট সদস্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমান।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, সিন্ডিকেটের সব সদস্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধান প্রকৌশলীসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
সড়ক সংস্কারের কাজে ব্যয়ের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, এ কাজে ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ এর চেয়ে বেশি কাজ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে তদন্তের দাবি উঠেছিল। এ কারণে ব্যয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
