মায়া চক্রবর্ত্তী
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত নার্স ও ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের একনিষ্ঠ ভক্ত মায়া চক্রবর্ত্তী আর নেই। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
মায়া চক্রবর্ত্তী সিলেট নগরীর মধুশহীদ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি প্রয়াত কল্যাণ চক্রবর্ত্তীর স্ত্রী। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র কন্যা আমেরিকাপ্রবাসী সমাজহিতৈষী মিত্রা চক্রবর্ত্তী, একমাত্র পুত্র সংস্কৃতিকর্মী সুদীপ্ত চক্রবর্ত্তী লিটুসহ দেশে-বিদেশে অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মায়া চক্রবর্ত্তীর মরদেহ বাসা থেকে সিলেট রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমে নেওয়া হয়। সেখানে আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী চন্দ্রনাথানন্দজী মহারাজের তত্ত্বাবধানে সমবেত প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর ১টা থেকে সিলেট নগরীর চালিবন্দর মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ সময় একমাত্র পুত্র সুদীপ্ত চক্রবর্ত্তী লিটু মুখাগ্নি করেন।
মায়া চক্রবর্ত্তীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শোক প্রকাশকারীদের মধ্যে রয়েছেন জ্যোতি সিলেটের চেয়ারম্যান ও সমাজসেবী জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার চন্দন, সিলেট বিবেকের সভাপতি অধ্যাপক অরুণ চন্দ্র পাল ও সাধারণ সম্পাদক শিলা সাহা, মহালয়া উদযাপন পরিষদ শ্রীহট্টের সভাপতি জি.ডি. রুমু ও সাধারণ সম্পাদক দ্বীপক কুমার দাশ।
এ ছাড়া শোক জানিয়েছেন শ্রীমা সারদা সংঘ সিলেটের সভানেত্রী আলোক রাণী ব্যানার্জী ও সাধারণ সম্পাদিকা বর্ণালী পুরকায়স্থ, বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদ সিলেট বিভাগীয় শাখার সভাপতি বেনু ভূষণ দাশ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কানন কান্তি দাশ এবং সংগঠনটির সিলেট জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট ফণী ভূষণ সরকার ও সাধারণ সম্পাদক বিনয় ভূষণ তালুকদারসহ অন্যরা।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ প্রয়াত মায়া চক্রবর্ত্তীর আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
