শিরোনাম
সিলেটে মাহা-ইমজার অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী রমজানে বাড়তি চাহিদা কাটিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখতে যে পরিকল্পনা বাণিজ্যমন্ত্রীর অর্নব আসছে, কাল থেকে ৫ দিন সিলেটের আবহাওয়া কেমন থাকবে বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশেও এলআর ফান্ডের তথ্য দেয়নি সিলেট জেলা প্রশাসন সিলেটে পুকুর দখল-ভরাট বন্ধে কমিটি গঠনের নির্দেশ সিলেট বিভাগে ১৬ জন নতুন সহকারী কমিশনার সিলেটে মন্ত্রী মুক্তাদিরের সফর ঘিরে পাঁচ কর্মসূচি সিলেটে সাব-রেজিস্ট্রার পদে বড় রদবদল: নতুন ৪, বদলি ৩ সিলেটে মাহা-ইমজার ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পুকুর নিয়ে বিরোধে চাচাতো ভাইদের হামলায় যুবক নিহ/ত, আট/ক এক

https://www.emjanews.com/

20009

national

প্রকাশিত

২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫৯

আপডেট

২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:০২

জাতীয়

বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের লক্ষ্য জাপানের

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫৯

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নতুন কর্মসংস্থান ও অভিন্ন সমৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ কর্মসংস্থান এবং পারস্পরিক লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-এ দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে উভয়ের জন্য আরও সহনশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব। এমন অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে, যা বর্তমান প্রজন্মের কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করবে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার অভিন্ন লক্ষ্য দুই দেশের বন্ধুত্বের ভিত্তি।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাপান প্রথম দিকেই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচনার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, রেলপথ, অবকাঠামো, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ অঙ্গীকার করেছে। সম্পর্ক আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ক্ষেত্রে চুক্তি ও সমঝোতাও বিনিময় হয়েছে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে জাপানের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায়ে জাপানি অংশীদারদের অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জাপানের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এক ট্রিলিয়ন ইয়েন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এসব বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উৎপাদনশিল্প, খাদ্য ও কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে জাপানের। এ জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে দেশটি।