সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা বাতিল হয়নি: গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৫ ১০:৪৬
ছবি: সংগৃহিত।
`বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ' কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে করা মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রশাসনে আলোড়ন তৈরি হয়। এ প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ করা হয়নি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, শিক্ষার মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। শিক্ষার মান যাচাই ও মূল্যায়নের অংশ হিসেবেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা দেওয়া হয়।
কিন্ডারগার্টেন মালিকদের দাবি অনুযায়ী, সরকারি স্কুলে বৃত্তি পরীক্ষা চালু থাকলে তাদের শিক্ষার্থীদের অসুবিধা হয়-এই দাবি ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা একটি নিয়মিত কার্যক্রম এবং এটি শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির বিরুদ্ধে নয়, বরং সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নের অংশ।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ১৯৯০ সালের বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা আইন অনুযায়ী, কিন্ডারগার্টেনগুলোর শিক্ষার্থীরা সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। ফলে, এটি বাতিলের দাবি বা সমালোচনার কোনো ভিত্তি নেই।
এছাড়া, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কিন্ডারগার্টেনগুলো নিজেদের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করুক-এমনটাই প্রত্যাশা করে মন্ত্রণালয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কার জানানো হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা বহাল রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে তা অনুষ্ঠিত হবে।
