২০২৬ সালের নির্বাচনে জামায়াত-এনসিপির শর্ত, রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৪:১৯
ছবি সংগৃহীত
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভোট নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বিভিন্ন শর্ত দিয়ে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে। তারা মনে করছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচারের বিষয় পাশ কাটিয়ে নির্বাচন ‘সাজানো’ হচ্ছে।
সরকার ভোটের সুনির্দিষ্ট সময় ঘোষণা করলেও, নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ ও প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে সংস্কার প্রস্তাব ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে জামায়াত ও এনসিপি বিএনপির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করছে। তারা চায়, জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার পরে ভোট হোক। এছাড়া, তারা উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষে ভোটের আনুপাতিক হার বা পিআর পদ্ধতি চালুর দাবিও তুলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত ও এনসিপি এই দাবিগুলো ব্যবহার করে সরকারের ও বিএনপির ওপর চাপ তৈরি করতে চাচ্ছে। ভোটের আগে আন্দোলন বা বিক্ষোভের আশঙ্কা থাকায় নির্বাচনের পরিবেশ অস্থিতিশীল হতে পারে। বিএনপি বড় সমর্থন থাকা সত্ত্বেও, অন্য দলের অংশগ্রহণ না থাকায় ভোট অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না।
সরকারের পক্ষ থেকে এখনো পুনরায় আলোচনা করার কোনো ইঙ্গিত নেই। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা দলগুলোর সঙ্গে ভোটের পরিবেশ ও তফসিল নিয়ে আলোচনা করবে, কিন্তু সংবিধান সংস্কার বা জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনই গণতন্ত্রে ফেরার একমাত্র পথ। তবে দলের দাবিদফা ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে ভোটের পরিবেশ উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে।
