শিরোনাম
এক মিনিটেই শেষ ট্রেনের টিকিট, নতুন এজেন্সি নিয়োগের উদ্যোগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন সব ধর্মের মানুষের সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে হবে: আরিফুল হক চৌধুরী রাজশাহীতে ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় ডিবির অভিযান, মদ-ইয়াবা উদ্ধার, নারীসহ আটক ৮৪ ইউপি নির্বাচন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ সিলেটে এক সিএনজি চালকের ছু/রিকাঘা/তে আরেক চালক খু/ন সিলেটে স্কুল ছাত্রীর মায়ের মাম/লায় গ্রে/প্তার ‘প্রেমিক’ সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় পুলিশের জালে ৩০ জন পুতিন-ট্রাম্প-শি’র ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা

https://www.emjanews.com/

8454

sports

প্রকাশিত

১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৪৫

আপডেট

১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৫৬

খেলাধুলা

ঘরোয়া ফুটবলে সার্কভুক্ত খেলোয়াড় ‘দেশি’ কোটায় খেলার সুযোগ

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৪৫

ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে এবার ইতিহাস সৃষ্টি হচ্ছে সার্কভুক্ত দেশের খেলোয়াড়রা ‘দেশি’ হিসেবে খেলতে পারবেন। অর্থাৎ তারা বিদেশি হিসেবে গণ্য হবেন না। এতে ক্লাবগুলোর শক্তি বাড়বে এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হবে।

এ মৌসুমে ছয়জন সার্কভুক্ত খেলোয়াড়ের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ এফসিতে খেলবেন নেপাল জাতীয় দলের গোলরক্ষক কিরণ চেমজং, ফরোয়ার্ড আয়ুশ ঘালান ও ভুটান জাতীয় দলের মিডফিল্ডার ওয়াংচুক শেরিং। রহমতগঞ্জে খেলবেন নেপাল জাতীয় দলের ডিফেন্ডার অভিষেক লিম্বু। ফর্টিস এফসিতে খেলবেন শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের অধিনায়ক ও গোলকিপার সুজান পেরেরা এবং নেপাল জাতীয় দলের ডিফেন্ডার অনন্ত তামাং।

এক ক্লাব সর্বোচ্চ পাঁচজন সার্কভুক্ত খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারবে এবং এক ম্যাচে খেলাতে পারবে পাঁচজনকেই। সার্কের বাইরে বিদেশি খেলোয়াড় নেওয়া যাবে সর্বোচ্চ পাঁচজন, তবে মাঠে একসঙ্গে তিনজনের বেশি খেলতে পারবে না। ফলে, এক ম্যাচে কোনো দল সর্বোচ্চ আটজন বিদেশি খেলোয়াড় খেলালে স্থানীয় খেলোয়াড়দের সংখ্যা মাত্র তিনজন থাকবে।

সার্কভুক্ত খেলোয়াড় নেওয়ার মূল কারণ কম পারিশ্রমিক। স্থানীয় শীর্ষ ফুটবলারদের মাসিক পারিশ্রমিক পাঁচ-ছয় লাখ টাকা হলেও নেপাল ও ভুটানের জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এক-দেড়-দুই লাখ টাকার মধ্যে।

মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মোহামেডানের সাবেক ফুটবলার ইমতিয়াজ সুলতান জনি বলেন, ‘এত বেশি সার্কভুক্ত খেলোয়াড় আনা দেশের ফুটবলের জন্য ভালো হবে না।’ ফর্টিসের সাবেক ফুটবলার রাশেদুল ইসলামও একই মত দিয়েছেন। তবে পুলিশ এফসির কোচ এস আসিফুজ্জামান মনে করেন, ‘লিগের মান বাড়বে এবং দর্শক বৃদ্ধি পাবে।’

নতুন মৌসুম শুরু হবে ১২ সেপ্টেম্বর চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনাল দিয়ে, লিগ মাঠে গড়াবে ১৯ সেপ্টেম্বর।