https://www.emjanews.com/

13718

national

প্রকাশিত

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১:৪৭

জাতীয়

দেশে ৪০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তায় বাড়তি ব্যবস্থা

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১:৪৭

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে সারাদেশের ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্রে। এর মধ্যে ৪০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্রকে নানা কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকার ১৫টি আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। পুলিশের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, ঢাকার ২১৩১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৬১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেন্দ্রগুলোর অবস্থান, অতীত সহিংসতার তথ্য ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর তালিকা তৈরি করেছে।

শনিবার সেনাবাহিনী ঢাকার ১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিফিং দিয়েছে। এই সময় দুইটি আসনকে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা যে সব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করবেন, সেখানে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

পুলিশ জানাচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশ, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে। সিসিটিভি কেন্দ্রগুলোর বেশিরভাগে বসানো হয়েছে, আর পুলিশ কর্মকর্তারা বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন।

এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সারাদেশে এক লাখেরও বেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে দুইজন অস্ত্রসহ পুলিশ, আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে চারজন অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবে।

বাংলাদেশ পুলিশের মুখপাত্র (এআইজি) এ এইচ এম শাহাদাত হোসেন জানান, এবারের নির্বাচনে সারাদেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সঙ্গে ৩০ হাজার সহায়ক পুলিশ সদস্যও থাকবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজারের বেশি বডিওর্ন ক্যামেরা বসানো হবে, যার মধ্যে ১৫ হাজার অনলাইন এবং ১০ হাজার অফলাইন।

পুলিশের এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।