শিরোনাম
সুনামগঞ্জ-২: দল নয়, ব্যক্তি ইমেজেই নির্ভর করছে ভোট ভোটে মুখ খুলে পরিচয় নিশ্চিত করাকে শরিয়তসম্মত বলছেন আলেমরা ভোট দিতে পারছেন না সিলেটের গণমাধ্যমকর্মীরা ১৪১ সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, চারজনকে পুনর্বহাল উদ্ধার হয়নি লুটের অস্ত্র, সিলেটে উৎকন্ঠায় ভোটের উৎসব সিলেটে ভোট প্রদান ও চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা জারি আকাশে ড্রোন, মাটিতে ডগ স্কোয়াড: সিলেটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা সিলেট ছাড়ছেন, আসছেন ভোটাররা: ট্রেনের ছাদেও মানুষের ঢল দেশে ৪০ শতাংশের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তায় বাড়তি ব্যবস্থা ভয়কে পেছনে রেখে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

https://www.emjanews.com/

13743

international

প্রকাশিত

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২:০৯

আন্তর্জাতিক

ইসলামিক বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী: ইরানজুড়ে বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২২:০৯

ছবি: পার্সটুডে।

ইসলামিক বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী `২২ বাহমান' উদযাপনে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইরানজুড়ে ব্যাপক শোভাযাত্রা ও বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ সারাদেশের ১ হাজার ৪ শতাধিক শহরে সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

তেহরানে ভোর থেকেই নাগরিকরা ইরানি পতাকা ও ব্যানার্ড নিয়ে আজাদি স্কয়ারে সমবেত হন। বন্দর আব্বাস, হামেদান, বুশেহর, খার্গ দ্বীপ, শিরাজ ও তাবরিজসহ বিভিন্ন শহরেও সমবেত হয় মানুষ। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও অনুষ্ঠানে জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

তেহরানের মিছিলে ইরানি পতাকার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি পতাকাও উড়তে দেখা যায়, যা ফিলিস্তিনিদের প্রতি তেহরানের দীর্ঘদিনের সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বার্ষিকীকে আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে জাতীয় ঐক্য ও প্রতিরোধের প্রদর্শনী হিসেবে তুলে ধরেছে।

গণসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি, জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব আলী শামখানি, বিপ্লবী গার্ড বাহিনী তথা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল সৈয়দ আবদুর রহিম মোসাভি।

আজাদি স্কয়ারে এই বছরের মূল বক্তব্য দেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান, যা দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সমাবেশস্থলে কাসেম সোলাইমানি, ফাতেহ ও ফাত্তাহ-১১০ সহ বিভিন্ন মডেলের ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক ১২ দিনের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের সময়ে ধ্বংস হওয়া ইসরায়েলি ড্রোনের অবশিষ্টাংশও প্রদর্শন করা হয়।

মিছিলের কিছু অংশগ্রহণকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবি পা দিয়ে মাড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তেহরানের আজাদি স্কয়ারে মিছিলকারীরা মার্কিন ও ইসরায়েলি পতাকায় আগুন ধরিয়ে দেন, যা ইরানের প্রতিরোধের প্রতিফলন হিসেবে বার্ষিক অনুষ্ঠানগুলোর নিয়মিত অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।