https://www.emjanews.com/

13958

national

প্রকাশিত

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৯:৪৮

জাতীয়

সিলেটের একটিসহ দেশের ১৩ উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৯:৪৮

ছবি: সংগৃহীত

সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরীক্ষামূলকভাবে সিলেট বিভাগের একটিসহ দেশের ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ মার্চ এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে দিরাই, বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ উপজেলায়।

এ লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। বাছাই করা পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত-এই চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ বিভাগের সচিব সভায় জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড এবং ভ্যালনারেবল উইমেন বেনিফিট কর্মসূচিকে একীভূত করা যেতে পারে। উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ইউনিয়নের নাম বাধ্যতামূলক থাকবে। পাশাপাশি দ্বৈত সুবিধা রোধে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সঙ্গে আন্তঃসংযোগ রাখা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্য আলাদা ভাতা সুবিধা পেতে পারবেন।

উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অন্য ভাতা গ্রহণ করবেন না। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও সুসংহত হবে এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহায়তা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে।