শিরোনাম
কুড়ি বছর পর মাঠে ফিরলো ‘নতুন কুঁড়ি’: সিলেট থেকে উদ্বোধন মহাসড়ক-রেললাইন-হাসপাতাল: সিলেটের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না, হবে ঢাকা-সিলেট ডাবল রেললাইন: প্রধানমন্ত্রী সিলেটবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সুরমার তীরে শুরু হলো ‘মেগা প্রকল্প’ আজ সিলেট আসছেন প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, শিগগিরই যোগদান শুরু ৩ মে থেকে হাওরাঞ্চলে ধান-চাল সংগ্রহ শুরু করবে সরকার শ্রম খাতের সমস্যা সমাধানে টিমওয়ার্ক চলবে: শ্রমমন্ত্রী ঋণ, পানি আর শ্রমিক সংকটে হাওড়ের কৃষকের দুঃসময় টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জের হাওড়ে বিপর্যয়

https://www.emjanews.com/

14308

entertainment

প্রকাশিত

১০ মার্চ ২০২৬ ২৩:১২

বিনোদন

‘ভারতের সংগীত ইন্ডাস্ট্রি এখনও কিছুটা পিতৃতান্ত্রিক’

প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬ ২৩:১২

ছবি: শ্রেয়া ঘোষাল

জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল সম্প্রতি রাজ শমানির পডকাস্টে আফসোস প্রকাশ করেছেন, যে ভারতের সংগীত জগতে এখনও নারীদের স্থান পুরুষদের তুলনায় সীমিত। তিনি বলেন, ‘লতা মঙ্গেশকর এবং আশা ভোঁসলের সময় নারীরা পুরুষ গায়কদের চেয়েও প্রভাবশালী ছিলেন। কিন্তু গত ১০ বছরে সেই ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।’

শ্রেয়া জানান, বর্তমান ইন্ডাস্ট্রি বিভ্রান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তবে তিনি হাল ছাড়েননি। বর্তমানে তিনি তার ‘The Unstoppable’ ওয়ার্ল্ড ট্যুরে ব্যস্ত, যেখানে যুক্তরাজ্য, আমেরিকা এবং আরব আমিরশাহিতে পারফর্ম করবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে ফিউশন এবং এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে নারীদের হারানো গৌরব ফেরানো সম্ভব হবে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘টপ ৫০-এর তালিকায় দেখবেন বড়জোর ছয়-সাতজন গায়িকার গান আছে, বাকি সব পুরুষ কণ্ঠ।’ বড় বাজেটের গান বা আইটেম সংয়ের বাইরে নারীদের জন্য নতুন গান তৈরি কমছে।

শ্রেয়া আরও বলেন, তিনি এখন ‘চিকনি চামেলি’-র মতো আইটেম সং থেকে দূরে থাকতে চান।

শ্রেয়া ঘোষাল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র চার বছর বয়সে গানের প্রশিক্ষণ শুরু করেন। ১৬ বছর বয়সে জি টিভির ‘সারেগামাপা’-তে বিজয়ী হন এবং সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘দেবদাস’-এর জন্য পারো চরিত্রের কণ্ঠ হিসেবে সুযোগ পান। ‘ডোলারে ডোলা’ এবং ‘বৈরী পিয়া’-র মতো হিট গানে রাতারাতি খ্যাতি অর্জন করেন এবং প্রথম সিনেমাতেই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড জিতেন।

প্রায় আড়াই দশক ধরে শ্রেয়ার কণ্ঠ দেশের শ্রোতাদের মুগ্ধ করছে। লতার পরবর্তী প্রজন্মের অন্যতম প্রিয় গায়িকা হিসেবে তিনি ভারতীয় সংগীতের অমর কণ্ঠস্বরের স্থান ধরে রেখেছেন।