শিরোনাম
বাংলাদেশ-থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে: খন্দকার মুক্তাদির সংসদে ১৪ অধ্যাদেশসহ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদিরের আকস্মিক বাজার পরিদর্শন মালয়েশিয়ার বন্ধ শ্রমবাজার: আশার আলো দেখাচ্ছে মন্ত্রীর সফর সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় গিয়ে মানুষের দুর্ভোগ দেখলেন সিসিক প্রশাসক আমরা নির্দোষ, এই মা/ম/লা বানোয়াট: আরিফ-গউছ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হ/ত্যা চেষ্টা মা/ম/লায় সিলেটের আদালতে আরিফ, বাবর ও গউছ করোনা ভ্যাকসিন কেনার খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি সিলেটসহ সারাদেশে মেলা ও বিলবোর্ডের বাতিও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

https://www.emjanews.com/

14823

economics

প্রকাশিত

০৭ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৯

অর্থনীতি

ঢাকা ও ইসলামাবাদ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৯

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান শিল্প খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাণিজ্য,শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) তার অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তান হাই কমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। পারস্পরিক আলাপ-আলোচনাকালে তাঁরা এ অভিন্ন আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এসময় তারা উভয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিল্পখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

চিনি, টেক্সটাইল, ওষুধ শিল্প, চামড়াখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরো গতিশীল করতে উভয় দেশের মধ্যে শিল্পখাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।’

পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশের শিল্পখাতের অগ্রগতি ও বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশের প্রশংসা করেন এবং পাকিস্তানি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়াও তারা উভয়ে শিল্পখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।