শিরোনাম
সিলেটে অবৈধ যানের শোরুম বন্ধে কঠোর এসএমপি সিলেটে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ভোজ্যতেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সাথে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক জামিনে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ১৭ এপ্রিল শুরু হজ ফ্লাইট, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে চোরাচালান ও বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর মালয়েশিয়াসহ সব দেশের শ্রমবাজার নিয়ে যে বার্তা দিলেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী সিলেট সীমান্তে বড় ধরনের অভিযানে বিজিবি: জব্দ প্রায় কোটি টাকার পণ্য সিলেটের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র নিলেন একডজন প্রার্থী বেইলি রোডে সপরিবারে নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

https://www.emjanews.com/

14801

sylhet

প্রকাশিত

০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২০

আপডেট

০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৮

সিলেট

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হ/ত্যা চেষ্টা মা/ম/লায় সিলেটের আদালতে আরিফ, বাবর ও গউছ

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২০

সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ওপর গ্রেনেড হামলার ২০০৪ সালের আলোচিত হত্যা চেষ্টা মামলায় হাজিরা দিতে আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুরি) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর, জাতীয় সংসদের হুইপ, হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ।

আদালতে হাজির হয়ে তারা শুনানিতে অংশ নেন। এর আগে তিনজনই বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছান।

মামলার আসামী পক্ষের আইনজীবী এটিএম  ফয়েজ জানান  ২০০৪ সালে ২১ জুন দুপুরে দিরাই বাজারে একটি সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। এ বোমা হামলায় এক জন নিহত ও  ২৯ জন আহত হয়। 

তিনি জানান, এই মামলায় আজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে  ৩৪২ ধারায় আসামী পরীক্ষা দেন তারা।  এসময় নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন আসামীরা।  পরবর্তিতে আদালত ২১ এপ্রিল যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারন করেন।  

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। সে সময় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হামলায় যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আরও ২৯ জন আহত হন। অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ঘটনাটির পর দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে দীর্ঘ তদন্ত ও শুনানির ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।

এর আগে মামলার বিভিন্ন ধাপে সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণ ও অভিযোগ গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।