https://www.emjanews.com/

16157

national

প্রকাশিত

০৬ জুন ২০২৬ ২২:৪৮

জাতীয়

জাতিসংঘে সম্মানিত সুদানে নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ ২২:৪৮

ছবি: সংগৃহীত

সুদানে জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ প্রদান করা হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সদস্যদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়। শুক্রবার আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে পদকগুলো তুলে দেন।

মরণোত্তর পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা হলেন- কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সুদানের কাদুগলি ও আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে (ইউএনআইএসএফএ) দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় প্রাণ হারানো সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালনরত ৫০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তারা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা ও শান্তি-স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

চলতি বছর শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাণ হারানো জাতিসংঘের ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যকে এই মেডেল প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী জাতিসংঘ সদর দপ্তরের শোকবইয়ে স্বাক্ষর করে নিহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ অন্যতম বৃহৎ সৈন্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ও স্বীকৃত।