https://www.emjanews.com/

16401

politics

প্রকাশিত

১৪ জুন ২০২৬ ২২:০৪

রাজনীতি

বেনজীর গ্রেপ্তারের পর সরব শফিকুল আলম, বললেন ‘শাপলার কসাই’

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬ ২২:০৪

ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিমানবন্দরের আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করে ইন্টারপোলের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বেনজীরকে ইঙ্গিত করে ‘শাপলার কসাই’ বলে উল্লেখ করেন।

ইংরেজিতে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান! নেক্সট ইন লাইন...!’ যার বাংলা অর্থ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ! এবার পরবর্তী জনের পালা...!’

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুর্নীতির মামলায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছিল। এরপর থেকেই তিনি আন্তর্জাতিকভাবে অনুসন্ধানাধীন ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের নানা অভিযোগ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা এসব অভিযোগের তদন্ত করে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে। তদন্তে তার বিপুল পরিমাণ সম্পদ ও আর্থিক অনিয়মের তথ্য সামনে আসে।

এছাড়া ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অন্যতম অভিযুক্তও বেনজীর আহমেদ। ওই সময় তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনি উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।