শিরোনাম
প্রধান প্রধান রুটে চালু হবে বৈদ্যুতিক ট্রেন, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সিলেটসহ চার বিভাগে পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আভাস সিলেটে সীমান্তের ওপারে নিখোঁজ বাংলাদেশি যুবক, এপারে আটক ভারতীয় কৃষক দুই দিনের সফরে সিলেট ও মৌলভীবাজারে আসছেন পর্যটনমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সিলেট-লাকসাম ডুয়েলগেজ লাইনসহ ১০ জেলায় রেলসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা চালের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক: বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে বন্ধুর হাতে বন্ধু খু ন, গণধোলাইয়ের পর পুলিশের হাতে ঘা ত ক জনগণের টাকা পাচার হতে দেবো না: শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রী খেটে খাওয়া মানুষের বাজেটকে অনেকে বলে চানাচুর: শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রী ওসমানী হাসপাতালে যেভাবে ধরা পড়লো চার ‘দালাল’

https://www.emjanews.com/

16463

economics

প্রকাশিত

১৭ জুন ২০২৬ ১৯:৩২

অর্থনীতি

চালের মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬ ১৯:৩২

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা চালের বাজার পরিদর্শন শেষে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, দেশের চালের বাজারে মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের হাতে চাল ও গমের সন্তোষজনক মজুদ থাকায় বাজারে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাদামতলী পাইকারি চালের বাজার এবং নয়াবাজারের খুচরা বাজার পরিদর্শন শেষে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, একটি সংবাদপত্রে চালের দাম বৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করতে তিনি ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সরেজমিনে বাজার পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান ঘুরে তারা দেখতে পেয়েছেন, চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।

তিনি বলেন, ‘ঈদের পর কিছু ধরনের চালের দাম কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। তবে এটি বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত নয়।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, কিছু মিল মালিক বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলেও বাজারে তা কার্যকর হয়নি। পরে সেই দামও কমে এসেছে। বিভিন্ন মানের চালের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত মূল্য পার্থক্য থাকে। নতুন ও পুরোনো চালের দামের মধ্যেও কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়, যা বাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল আছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা প্রতিদিন বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

সরকারি খাদ্যশস্যের মজুদ সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের হাতে চাল ও গমের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। প্রয়োজন হলে বাজারে সরবরাহ বাড়াতে সরকার তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারবে। তবে বর্তমানে সে ধরনের কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়নি।’

বাজেট-পরবর্তী মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত কয়েক মাস এবং আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় খাদ্যপণ্যের বাজার এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল। সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির কারণও আগেই স্বচ্ছভাবে জানানো হয়েছে।

এদিকে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, দেশে চালের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে এবং সরকারের হাতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে, যা নির্ধারিত আপৎকালীন মজুদের চেয়েও বেশি।

তিনি বলেন, ‘চলমান ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি মজুদ আরও বাড়ছে। বাজারে চালের কোনো সংকট নেই। তাই জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে চালের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই এবং অস্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়নি।