শিরোনাম
সিলেটসহ সারাদেশে বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪ বাংলাদেশিদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বন্ধ, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র অবশেষে জৈন্তেশ্বরী মিউজিয়াম প্রাঙ্গণে মেলা বন্ধ, সংস্কারের তালিকায় ছয় প্রত্নস্থল শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ১৯ দিনে মিলল ৪৭ লাখ টাকা শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে ধ/র্ষণ, খু/নের বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি সিলেটে ৩২ ঘণ্টার অভিযানে ৬৫ জন গ্রেফ/তার ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা আজ সিলেটে কালকের এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে সিলেটে কুশিয়ারা-সুরমার পানি বৃদ্ধি, দুই পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম

https://www.emjanews.com/

17040

international

প্রকাশিত

১১ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪২

আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় ছয় মাসে ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪২

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশজুড়ে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৩৬ হাজার ৯০০ অবৈধ অভিবাসী আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় এক হাজার নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সারা দেশে পরিচালিত ৬ হাজার ২৩৭টি অভিযানে মোট ৮৪ হাজার ৪৬৪ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৯০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৯৭৮ জন নিয়োগকর্তাকেও আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু জুন মাসেই দেশব্যাপী ১ হাজার ১৫৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৩ হাজার ৭৮ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯৩ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৩৩ জন নিয়োগকর্তাকে অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে।

জাকারিয়া জানান, আটক বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস না থাকার অপরাধ। এছাড়া ইমিগ্রেশনের দেওয়া পাসের অপব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে শনাক্ত হয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তার আইনগত অবস্থান ও নথিপত্রের ভিত্তিতে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অধিকাংশ রোহিঙ্গার কাছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পরিচয়পত্র রয়েছে। তাই শুধু বৈধ পাস না থাকা বা ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অভিবাসন-সংক্রান্ত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।

তবে রোহিঙ্গারা দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন থেকে অব্যাহতি পান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ যদি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হন বা অন্য কোনো আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এছাড়া কেউ অবৈধভাবে সড়কের পাশে ব্যবসা পরিচালনা করলে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ (পিবিটি) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইমিগ্রেশন বিভাগ যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান মহাপরিচালক।