শিরোনাম
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্প: জমি অধিগ্রহণে ১০ বছর, বাড়বে মেয়াদ সুনামগঞ্জে উজানের ঢলে বাড়ছে সুরমার পানি, বন্যার আশঙ্কা সুপার এল নিনোর প্রভাবে ২০২৮ পর্যন্ত বাড়বে খাদ্যের দাম মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জে বন্যায় পানিবন্দি ১৩ হাজারের বেশি পরিবার সিলেটে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস, নদী তীরবর্তী এলাকায় সতর্কবার্তা জনস্বার্থের সঙ্গে আপস নয়, আইএমএফ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বার্তা সিলেট বিভাগের তিন জেলায় বন্যা মোকাবিলায় বিজিবি মোতায়েন দেশ ছাড়ার আগে ওসমানী বিমানবন্দরে ধরা খেলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী নারী! সিলেটে যে কারণে ধরা পড়লেন অর্ধশত ব্যক্তি সিলেটে পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্রেতার ঘুষিতে ব্যবসায়ীর মৃ/ত্যু

https://www.emjanews.com/

17062

entertainment

প্রকাশিত

১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৫

বিনোদন

বিয়ের আবর্জনাও বিক্রি হচ্ছে শত ডলারে!

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬ ১৫:৪৫

কথায় আছে, ‘কারো ফেলে দেওয়া আবর্জনা অন্য কারো কাছে মহামূল্যবান সম্পদ’। বিশ্বখ্যাত পপ তারকা টেইলর সুইফটের ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি আক্ষরিক অর্থেই সত্য হয়ে ধরা দিয়েছে। সম্প্রতি নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের জমকালো বিয়ের আসর বসেছিল। সেই বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই ভেন্যুর চারপাশ থেকে কুড়িয়ে নেওয়া পরিত্যক্ত আবর্জনা এখন বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে, যা সংগ্রহের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ভক্তরা।

নিউইয়র্কের কুইন্সের বাসিন্দা ও শিল্পী জাস্টিন গিগনাক গত ৩ জুলাই বিয়ের ভেন্যুর আশপাশের রাস্তা থেকে ফেলে দেওয়া বিভিন্ন বর্জ্য সংগ্রহ করেন। এরপর অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে সেই আবর্জনার টুকরোগুলোকে ছোট স্বচ্ছ অ্যাক্রিলিক কিউবে বন্দি করে নাম দেন ‘পকেট গার্বেজ’। অবাক করার বিষয় হলো, প্রতিটি কিউবের মূল্য ২৫ ডলার নির্ধারণ করা হলেও বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার পুরো স্টক শেষ হয়ে যায়।

গিগনাক তার ওয়েবসাইটে উল্লেখ করেছেন, ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের বাইরে টেইলর ও ট্রাভিসের এই রূপকথার বিয়ের একদম কাছ থেকেই এই আবর্জনাগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। আমন্ত্রণপত্র ছাড়া তাদের বিয়ের ঠিক কতখানি কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব ছিল, ভক্তদের কাছে এটি তারই এক অনন্য স্মারক। এই কিউবগুলোর ভেতরে সাধারণ মানুষের ফেলে দেওয়া সিগারেটের ফিল্টার, চুইংগামের প্যাকেট, জুসের স্ট্র, একটি মাত্র এয়ারপড, এমনকি ব্যবহৃত টেস্ট কিটের মতো জিনিসও জায়গা পেয়েছে।

শিল্পী জাস্টিন ৫০টি ছোট কিউবের পাশাপাশি কিছু বড় কিউবও তৈরি করেছিলেন, যেগুলোর প্রতিটির মূল্য রাখা হয়েছিল ১০০ ডলার। তবে শিল্পী নিজেই স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন যে, এই ডাস্টবিন বা রাস্তা থেকে কুড়ানো আবর্জনাগুলোর কোনোটিই সরাসরি টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসির ব্যবহৃত হওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। এগুলো মূলত বিয়ের দিন নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরের এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। গিগনাক রসিকতা করে বলেন, তিনি বিয়ের মূল অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন না, তাই ভেতরের ‘আসল’ আবর্জনা সংগ্রহের সুযোগ তার হয়নি। তবে কোন ঐতিহাসিক স্থান এবং সময়ে এগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই আবেগটুকুই ভক্তদের মূল আকর্ষণের জায়গা।

বিশ্বজুড়ে টেইলর সুইফটের ভক্তরা ‘সুইফটিজ’ নামে পরিচিত, যারা প্রিয় তারকার সামান্যতম স্মৃতিচিহ্নের জন্য বিপুল অর্থ খরচ করতে দ্বিতীয়বার ভাবেন না। এর আগে টেইলরের ‘ইরাস ট্যুর’-এ টিকিটের জন্য যে উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল, আবর্জনা কেনার ক্ষেত্রেও সেই একই পাগলামি দেখা গেছে। অনেকে আবার জাস্টিন গিগনাকের এমন অভিনব আইডিয়াকে নিউইয়র্ক ঘরানার চৌকস ব্যবসায়িক বুদ্ধি হিসেবেও দেখছেন।

তবে এই অদ্ভুত পেশায় জাস্টিন গিগনাক নতুন নন। গত ২৫ বছর ধরে তিনি এমন কাজ করে আসছেন। এর আগে ২০০৯ সালে বারাক ওবামার অভিষেক অনুষ্ঠান এবং ২০১২ সালের সুপার বোল প্যারেডের পর রাস্তা থেকে কুড়ানো বর্জ্য কিউব বন্দি করে বিশ্বজুড়ে বিক্রি করেছিলেন তিনি। এবার টেইলর সুইফটের বিয়ের আবর্জনাকে পুঁজি করে পুনরায় আলোচনায় এলেন এই খ্যাপাটে শিল্পী।