https://www.emjanews.com/

17311

economics

প্রকাশিত

২৩ জুলাই ২০২৬ ২১:৪৯

আপডেট

২৩ জুলাই ২০২৬ ২১:৫০

অর্থনীতি

পে স্কেল আটকে থাকার দুই কারণ

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬ ২১:৪৯

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া মূলত দুটি প্রধান কারণে থমকে আছে। তীব্র অর্থনৈতিক চাপ এবং রাজস্ব ঘাটতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সতর্ক অবস্থানের কারণে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিলম্বিত হচ্ছে। যদিও প্রশাসনিক পর্যায়ে এ নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে, তবে বড় অঙ্কের অর্থের সংস্থান ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এখন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকার একবারে পুরো সুবিধা বাড়িয়ে দুই ধাপে পে স্কেল কার্যকরের পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ে শুধু মূল বেতন (বেসিক) বৃদ্ধি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে অন্যান্য ভাতা সমন্বয়ের প্রস্তাব পর্যালোচনার টেবিলে রয়েছে।

বিধি অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বেতন পুনঃনির্ধারণের কথা থাকলেও গত এক দশকে নতুন কোনো পে স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী রয়েছেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে আরও প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে।

আইএমএফের মতে, বড় অঙ্কের বেতন বৃদ্ধি বাজারে মুদ্রার প্রবাহ বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে।

অন্যদিকে, কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আদায় না হওয়ায় এই ব্যয় মেটাতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ার ঝুঁকি দেখছে সংস্থাটি। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর হলো, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আরও কয়েকটি কারিগরি বৈঠকের পর চূড়ান্ত খসড়া মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী সব ঠিক থাকলে আগামী আগস্টের শুরুতে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ হতে পারে এবং বর্ধিত বেতন ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হতে পারে।