শিরোনাম
কমলগঞ্জে হাজার গাছের কমলাবাগান নিধন: পরিদর্শন করল তদন্ত কমিটি অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক, সিজেপির আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা গোয়াইনঘাটে সড়ক পরিদর্শনে মন্ত্রী আরিফুল হক চেীধুরী বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জকিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডে অচলাবস্থা নিরসন, খোলা হলো তালা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ করে বরাদ্দ দেওয়া হবে: সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের দায়িত্ব গ্রহণ আবেদনের শেষ সময় বিকাল তিনটায়, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ রাতে! পে স্কেল আটকে থাকার দুই কারণ শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক সিজেপির

https://www.emjanews.com/

17317

sylhet

প্রকাশিত

২৪ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৫

সিলেট

দোয়ারাবাজার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫৫

ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নৈনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ল্যাপটপ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বরাদ্দে অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল রহমান সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত তিনটি সরকারি ল্যাপটপের মধ্যে দুটি প্রধান শিক্ষক তার নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এবং একটি বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন।

এছাড়া গত দেড় দশকে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আসা সরকারি অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়নি বলে এলাকাবাসীর দাবি।

অভিযোগকারী আরও জানান, রাজনৈতিক দাপট দেখিয়ে অতীতে অনেক শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে বাধা দেওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটিয়েছেন এই শিক্ষক। 

সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ১৯৭৯ উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ ‘কাল্ব’ নামক একটি এনজিওর উপজেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম বাদ দিয়ে এনজিওর কাজে ব্যস্ত থাকায় পাঠদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের পরিদর্শন বহিতেও ইতিপূর্বে অনুমতি ছাড়া তার অনুপস্থিতির বিষয়গুলো রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুর রশিদ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ল্যাপটপগুলো প্রাতিষ্ঠানিক কাজেই ব্যবহৃত হয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমতি নিয়েই তিনি এনজিওর কাজে সময় দেন।

তবে দোয়ারাবাজার উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) এনামুল হক মোল্লা জানান, অভিযোগপত্র হাতে পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসন সূত্র নিশ্চিত করেছে, তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।