ছবি: সংগৃহীত
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের পাশে অবস্থিত ফেমাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট তৈরি করে রাখার চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ অভিযানে এসব অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে বিভিন্ন অসংগতি পাওয়ায় এর স্বত্বাধিকারী আক্তার জাহানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান পরিচালনা করেন চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন. জামিউল হিকমা। অভিযানকালে দেখা যায়, আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই বিভিন্ন রিপোর্টের ফরম্যাট প্রিন্ট করে রাখা হতো; পরবর্তীতে কেবল রোগীর নাম ও পরিচয় যোগ করে তা সরবরাহ করা হতো। এমন কর্মকাণ্ডকে রোগীদের সঙ্গে চরম প্রতারণা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইউরিনের নমুনা সংরক্ষণ এবং রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থা না থাকাসহ একাধিক গুরুতর অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।
অভিযানে চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সালসহ স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
