শিরোনাম
শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী সিলেটের হুমায়ুন কবির এবার মন্ত্রিসভায় রায়নগর ট্রিপল মার্ডার: বাসা ভাড়ার জন্য চুরি করতে বাসায় প্রবেশ, ধরা পড়ে একাই তিনজনকে খুন! সিলেটে আরও পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: আদালতে বাবুলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে গাছ কাটা-বিক্রি: বিএনপি নেতাসহ ৬২ জনের বিরুদ্ধে মামলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চলছে গণনা সিলেটে ৩ খু/ন: রিমান্ড শেষে আদালতে বাবুল, দিবেন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী সাতছড়ি বনে মাটির নিচে মিললো বিপুল পরিমাণ পি/স্তল-গু/লি হবিগঞ্জের সাতছড়ি-রেমায় গাছ লু/টের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কারা? গোপন নথিতে সরকারি দলের নেতাকর্মীসহ ৬২ জনের নাম

https://www.emjanews.com/

17970

surplus

প্রকাশিত

২১ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫৯

অন্যান্য

ছবির সঙ্গে বরের মিল নেই, বিয়ের আসরেই বিয়ে ভেঙে দিলেন কনে

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫৯

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলায় বিয়ের আসরে বরকে সামনে থেকে দেখে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এক কনে। তার অভিযোগ, বিয়ের আগে তাকে যে যুবকের ছবি দেখানো হয়েছিল, বিয়ের আসরে বর হিসেবে আসা ব্যক্তি সেই যুবক নন। এ ঘটনায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ও সাতফেরা শুরুর আগেই অনুষ্ঠান ভেস্তে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে ফিরোজপুর জেলার গুরু হরসাহাই এলাকায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজস্থানের ছাতারগড় থেকে বরযাত্রী নিয়ে বরপক্ষ ফিরোজপুরে আসে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে বরকে সামনে থেকে দেখেন কনে। এরপরই তিনি আপত্তি জানান এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে দাবি করেন, বিয়ের আগে তাকে যে যুবকের ছবি দেখানো হয়েছিল, বর হিসেবে আসা ব্যক্তি সেই ব্যক্তি নন।

কনের এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বিয়ের অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেওয়া হয়।

তবে কনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বরপক্ষ। তাদের দাবি, দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের প্রস্তুতির সময় দুই পরিবারের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। এমনকি কনের পরিবারের কাছেও বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল।

বরের নানা মহেন্দ্র সিং দাবি করেন, বিয়ের মধ্যস্থতাকারী এবং কনের মায়ের কাছেও বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল।

পরে বিষয়টি পুলিশের কাছে গড়ায়। বরপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে। ফিরোজপুরের গুরু হরসাহাইয়ের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) তেজিন্দরপাল সিং জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর উভয় পক্ষের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।

পুলিশের তদন্ত চলাকালেই দুই পরিবার নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বিরোধ মীমাংসা করে নেয়। তবে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিটে গেলেও শেষ পর্যন্ত ওই বিয়ে আর সম্পন্ন হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিয়ের আগে বর-কনের পরিচয় ও ছবি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে সামনে এসেছে।