শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদে খন্দকার মুক্তাদিরের নতুন দায়িত্ব মেয়েদের উপবৃত্তি ফেরানোর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সিলেট-তামাবিল সড়কে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মঙ্গলবার সিলেট আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে এবার আরেক ব্যবসায়ীকে বাড়ির পাশে কুপিয়ে খু/ন সিলেটে সিএনজি অটোরিকশাকে বাসের ধাক্কা: মাদরাসাছাত্রী নিহ/ত, আহ/ত ৩ দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হলেন হুমায়ুন কবির বিশ্বের চাষযোগ্য জমির শতাংশে শীর্ষে বাংলাদেশ নুসরাত হত্যা মামলার চূড়ান্ত রায় সোমবার সিলেট-সুনামগঞ্জ সফরে মন্ত্রী আরিফুল হক, থাকছে একাধিক কর্মসূচি

https://www.emjanews.com/

18066

politics

প্রকাশিত

২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:০৫

রাজনীতি

বৃটিশ নাগরিকত্ব প্রশ্নে হুমায়ুন কবিরের পাল্টা খোঁচা, ‘কার এত জ্বালা?’

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:০৫

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব থাকা না থাকা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সংবাদ মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন তিনি। তবে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ছাড়ার বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে মন্ত্রিসভার সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই—এমন প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকরা তার নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী কিছুটা ক্ষোভের সুরে বলেন, ‘কে নিউজ করছে, কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা? মানে কাজকর্ম থুইয়া...’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি বাংলাদেশি। এখানে তো বাংলাদেশি মিনিস্টার হিসেবে আছি। আমি মনে করি না আমার বাংলাদেশিত্ব নিয়ে কেউ প্রশ্ন করবে। এখানে এসে বাংলাদেশের জন্য কাজ করা কোনো সুবিধাভোগীর কাজ নয়।’

উল্লেখ্য, ছোটবেলা থেকে যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা হুমায়ুন কবির সেখানে লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যুক্তরাজ্যের কোম্পানি নিবন্ধক কার্যালয় ‘কোম্পানিজ হাউজ রেজিস্ট্রার’-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তিনি এখনও ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে নিবন্ধিত এবং তার আবাসস্থল যুক্তরাজ্য। এদিকে বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে বা আনুগত্য স্বীকার করলে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা হারাবেন কোনো ব্যক্তি। তবে নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে সেই বাধা দূর হয়।

প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেছেন কি না, এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য সরকারি সূত্রগুলো দিতে পারেনি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব খবর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন।’

একটি নির্দিষ্ট পত্রিকার নাম উল্লেখ করে প্রশ্ন করা হলে তিনি ২০০৮ সালের মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারের সময়ের প্রসঙ্গ টেনে পাল্টা খোঁচা দেন। সবশেষে তিনি দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।