শিরোনাম
নেপালে ভয়াবহ বন্যা: ৯৫ মৃত্যু, নিখোঁজ তিন শতাধিক পর্যটক তামাবিল দিয়ে ৬ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠালো ভারত সিলেটে ২৪ ঘন্টায় অর্ধশত গ্রেফ/তার: ১২৬ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সিলেটে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে তালামীযে ইসলামিয়ার বর্ণাঢ্য ‘মুবারক র‌্যালি’, হাজার-হাজার নবীপ্রেমীর ঢল সিলেটে ‘প্রেমিকাকে’ চা-পান খাওয়ানোয় ব্যবসায়ীকে খু/ন: পুলিশ খুঁজছে রহস্য ৪৫ দিনেও সন্ধান নেই ওসমানী বিমানবন্দর কর্মকর্তা জেলিনের, ব্যর্থ পুলিশও সিলেটে থেকেও সিউকের উদ্বোধনে অনুপস্থিত প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী, প্রটোকল নাকি রাজনৈতিক দূরত্ব? সিলেটে মাদ্রাসা ছাত্রীর লা/শ উদ্ধার: ক্লু খুঁজছে পুলিশ পরিকল্পিত ও টেকসই নগর গঠনের লক্ষ্যে সিউকের যাত্রা শুরু ‘সিলেটে নয়, আমি লন্ডনে আছি’: মিসবাহ সিরাজ

https://www.emjanews.com/

18109

international

প্রকাশিত

২৬ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫৩

আপডেট

২৬ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫৫

আন্তর্জাতিক

‘বাজারমুখী মিশন, বিশ্বমঞ্চে মালয়েশিয়া’ স্লোগানে কুয়ালালামপুরে নাইস এক্সপো

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২০:৫৩

ছবি: সংগৃহীত

‘বাজারমুখী মিশন, বিশ্বমঞ্চে মালয়েশিয়া’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ন্যাশনাল ইনোভেশন অ্যান্ড কমার্শিয়ালাইজেশন এক্সপো (নাইস) ২০২৬। দেশটির উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টির লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে।

কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ এক্সপোতে স্থানীয় উদ্ভাবক, শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের একত্রিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফলাফলকে বাস্তব প্রকল্প, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাজারজাতকরণের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন মন্ত্রণালয়ের (মোস্তি) প্রযুক্তি উন্নয়নবিষয়ক উপ-মহাসচিব নরশাম বিনতি আবদুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন। তিনি মোস্তি-এর মহাসচিব দাতো’ তস. ড. নাগুলেন্দ্রান কাঙ্গায়াতকারাসুর পক্ষে স্বাগত বক্তব্য দেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে নরশাম আবদুল লতিফ বলেন, নাইস  ২০২৬-এর সাফল্য শুধু কতগুলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করবে না। বরং এ আয়োজনে গড়ে ওঠা সহযোগিতা কতটা বাস্তব প্রকল্পে রূপ নেয়, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করে সেটিই হবে সাফল্যের মূল মাপকাঠি।

তিনি বলেন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ফলাফলকে বাজারে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বাস্তব মূল্য সংযোজন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে উদ্ভাবক, শিল্প খাত, বিনিয়োগকারী ও সরকারের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

তিন দিনব্যাপী নাইস  ২০২৬-এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আয়োজন। এর মধ্যে সম্মেলন, ইন্টার‌্যাকটিভ উদ্ভাবনী প্রদর্শনী, ব্যবসায়িক অংশীদার খোঁজার জন্য ‘বিজনেস ম্যাচিং’ সেশন এবং বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান উল্লেখযোগ্য।

এক্সপোতে মালয়েশিয়া কমার্শিয়ালাইজেশন ইয়ার (এমসিওয়াই) অ্যাওয়ার্ড এবং মাই-এস-টি-আই অ্যাওয়ার্ডও প্রদান করা হবে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে উদ্ভাবনী ধারণাকে ব্যবসায়িক সম্ভাবনায় রূপান্তর এবং স্থানীয় প্রযুক্তিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে নরশাম আবদুল লতিফ নাইস ২০২৬-এর বিভিন্ন প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় উদ্ভাবকদের তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তি ও পণ্য সম্পর্কে ধারণা নেন এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনগুলো ঘুরে দেখেন।

আয়োজকরা বলছেন, নাইস ২০২৬ শুধু একটি প্রদর্শনী নয়; এটি মালয়েশিয়ার উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম। গবেষণাগার থেকে বাজার, ধারণা থেকে বাস্তব প্রয়োগ এবং উদ্ভাবন থেকে অর্থনৈতিক প্রভাব এই ধারাবাহিকতাকে আরও গতিশীল করাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

‘আইডিয়া থেকে প্রভাব, উদ্ভাবন থেকে বাজার’ এই লক্ষ্য সামনে রেখে নাইস ২০২৬ মালয়েশিয়ার স্থানীয় উদ্ভাবনকে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।