শিরোনাম
সুনামগঞ্জ-সাচনা সড়কে কাটা সাড়ে চার হাজার গাছ, সওজেরই নেই প্রশস্তকরণের পরিকল্পনা ১৮৮ একর জমিতে নতুন বিসিক, সিলেটে শিল্পায়নের নতুন দুয়ার ওসমানী বিমানবন্দরে বিসিকের ডিসপ্লে ও সেলস সেন্টার উদ্বোধন ওসমানীনগরে সড়ক দুর্ঘ/টনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ ৪ জনের মৃ/ত্যু সিলেটে ডিসি অফিসের ফোন নম্বর হ্যাক, বিকাশে চাওয়া হচ্ছে টাকা সিলেটে হামের প্রকোপ বাড়ছে: ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৯১, মৃ/ত্যু আরেক শিশুর সিলেটে স্বামীর বন্ধুরা মিলে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ, গ্রে/প্তা/র ২ শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী সিলেটের হুমায়ুন কবির এবার মন্ত্রিসভায় রায়নগর ট্রিপল মার্ডার: বাসা ভাড়ার জন্য চুরি করতে বাসায় প্রবেশ, ধরা পড়ে একাই তিনজনকে খুন!

https://www.emjanews.com/

18005

international

প্রকাশিত

২২ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫২

আন্তর্জাতিক

৬ মাসের মধ্যে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব: অমিত শাহ

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫২

ছবি: ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়া হিন্দু, শিখ ও জৈন ধর্মাবলম্বী শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে কথিত ‘ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে’ ভারতে আসা যোগ্য শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানে কেন্দ্রীয় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী আবেদনকারীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যেই মর্যাদার সঙ্গে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখছে।

প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে পশ্চিমবঙ্গের আটটি জেলার জেলা প্রশাসকদের বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে বলে জানান অমিত শাহ। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়েই আবেদন যাচাই ও নাগরিকত্ব প্রদানের কাজ দ্রুত গতিতে এগোবে। ভারতের ২০১৯ সালে পাস হওয়া এই বিতর্কিত আইনটি চলতি বছরের শুরুতে কার্যকর হয়। আইনের বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে যাওয়া অমুসলিম ধর্মাবলম্বীদের নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

বক্তব্যে অমিত শাহ সিএএ বাস্তবায়নে কেন্দ্রের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানানোর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে অবৈধ অভিবাসী শনাক্তকরণ ও তাদের বহিষ্কারের বিষয়েও কড়া হুঁশিয়ারি দেন। শরণার্থী ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কেন্দ্রের এই ঘোষণা ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।