শিরোনাম
নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা, বাদ পড়াদের আবেদনের সুযোগ জানা গেল সরকারি চাকুরিতে শূন্য পদের সংখ্যা সাবেক এমপি সুলতান মনসুর ফের গ্রেপ্তার সিলেটে ৮৫ পূজামণ্ডপে সিসিকের সর্বাত্মক প্রস্তুতি চাকরির আশায় রাশিয়ায়, যুদ্ধে প্রাণ গেল ২০ বাংলাদেশির: এসআরবি পানি-মোটরসাইকেল যেনো কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে শাবির সম্ভাবনাময় তরুণদের: ১০ মাসে ঝরল ৭ প্রাণ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নি/হ/ত সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় নতুন হাম শনাক্ত ও মৃত্যু নেই, ভর্তি ১২৩ ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সিলেটে মোটরবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল কিশোরের

https://www.emjanews.com/

18166

sylhet

প্রকাশিত

২৮ আগস্ট ২০২৬ ২২:৩৩

আপডেট

২৮ আগস্ট ২০২৬ ২২:৩৪

সিলেট

হবিগঞ্জে জাতীয় চার নেতার ম্যুরাল সরানোয় প্রতিবাদ, পুনঃস্থাপনের দাবি

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ ২২:৩৩

ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধসংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার ম্যুরাল ও ছবি অপসারণের ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবিস্মরণীয় অবদান রাখা জাতীয় চার নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি দ্রুত পুনঃস্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, সরকারি অনুদানে নির্মিত এই চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় চার নেতার ম্যুরালাকৃতির ছবি শোভা পাচ্ছিল। তবে অভিযোগ উঠেছে, প্রায় এক মাস আগে মাধবপুরের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলো ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে সরিয়ে ফেলা হয়।

বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। তৎকালীন ইউএনও বদলি হওয়ার পর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানেরা প্রকাশ্যে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার দাবি করে বলেন, 'কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বা নিয়ম ছাড়াই হুট করে এই জাতীয় বীরদের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ছবিগুলোর সম্মানজনক পুনঃস্থাপন চাই।'

এ ঘটনায় মাধবপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিয়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যাঁদের রক্ত ও ঘাম মিশে আছে, তাঁদের অপমান কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

এ বিষয়ে বর্তমান প্রশাসনের অবস্থান জানতে মাধবপুরের বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা অনতিবিলম্বে ম্যুরালগুলো পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।